সর্বশেষ
উচ্চ শিক্ষিত হলেই কি মানুষ হওয়া যায়? মানুষ হতে হলে কুরআন সুন্নাহর আলোকে জীবন গড়া আবশ্যকঃ হুসাইন আল আজাদ
১০৪ বছর বয়সে হজ পালন: অদম্য ঈমানের অনুপ্রেরণার প্রতীক ইন্দোনেশিয়ার এমবাহ্ মার্সিয়াহ্
মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরানের ভয়াবহ হামলা, হঠাৎ ভয়ডরহীন বেপরোয়া ইরানের শক্তি প্রদর্শনের রহস্য কী?
আগে স্বাধীন ফিলিস্তিন চাই, ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রশ্নই আসে না, ট্রাম্পের আহ্ববানকে পাত্তা না দিয়ে পাকিস্তানের কঠোর বার্তা
সাফ ফুটবলের মসনদে আবারও আওয়ামী আমলের‘দুর্নীতির বরপুত্র’ কাজী সালাউদ্দিন
ছেলেরা উচ্চ শিক্ষিত যুগ্মসচিব ও বুয়েটের শিক্ষক, অথচ নিঃসঙ্গ বাসায় ৪-৫ দিন ধরে মরে পচে পড়েছিলেন এক বৃদ্ধা মা, দেশজুড়ে শিক্ষিত অমানুষ সন্তানদের প্রতি মানুষের তীব্র ক্ষোভ
৭৫ হাজার টাকা বেতনে পল্লী বিকাশ কেন্দ্রে চাকরি, থাকছে প্রভিডেন্ট ফান্ড-উৎসব ভাতা
মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন
খামেনি জীবিত, ধীরে ধীরে আরও সক্রিয় হচ্ছেন: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
কুয়েত-বাহরাইনে কেন হামলা চালালো ইরান? কারণ জানিয়ে তেহরানের কড়া বার্তা
খামেনির জানাজা কবে? ইরান জানালো দাফনের সম্ভাব্য সময়
স্বর্ণের পর এবার রুপাতেও ধস, নতুন দামে চমকে উঠছে বাজার
স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, এক লাফে ভরিতে কত কমলো জানলে অবাক হবেন!
রাজধানীতে আজ বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস, স্বস্তি পেতে পারেন নগরবাসী
কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি আইআরজিসির, উত্তেজনা নতুন উচ্চতায়

আপনি কি ভয়ংকর মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন? তাহলে বিস্ময়কর এই লেখাটি পড়ে প্রশান্তিময় জীবন গড়ুন

Our Times News

আওয়ার টাইমস নিউজ।

ইসলামি জীবন ডেস্ক: মানব জীবনের আত্মার কেন্দ্রবিন্দু-হৃদয় ও অন্তর। বাহ্যিক আচরণ, কথাবার্তা ও সামাজিক পরিচয়-সবকিছুর মূল কারণ হলো অন্তরের অবস্থা। যে মানুষ বাহ্যিকভাবে সৌন্দর্য বজায় রাখে, কিন্তু তার অন্তর কলুষিত-সেই ব্যক্তির বাস্তব পরিচয় লুকোনো থাকে না। পবিত্র কুরআন এবং সহীহ হাদীস আমাদের বারবার স্মরণ করায় যে, বাহ্যিক সদাচরণই যথেষ্ট নয়; অন্তরের শুদ্ধি ছাড়া জীবন সত্যিকার অর্থে সুস্থ ও সফল হতে পারে না। নিচে আমরা কোরআন-হাদীস ও তাফসীরের আলোকে নফসের পরিশুদ্ধি, অন্তরের রোগ এবং এর প্রতিকার বিস্তারিতভাবে আলোচনা করছি।

১। কোরআনের মূল ঘোষণা: নফস পরিশুদ্ধ করলেই সফলতা

সূরা আশ-শামসে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,

قَدْ أَفْلَحَ مَنْ زَكَّاهَا وَقَدْ خَابَ مَنْ دَسَّاهَا

“অবশ্যই সে সফল হয়েছে, যে নফসকে পরিশুদ্ধ করেছে। আর সে ব্যর্থ হয়েছে, যে তা কলুষিত করেছে।” (সূরা আশ-শামস ৯১:৯–১০)

এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর আয়াতে মানব জীবনের সফলতা ও ব্যর্থতার মূল কারণ হিসেবে নফসের পরিশুদ্ধি ও কলুষণকে নির্দেশ করা হয়েছে। তাফসীরে ইবন কাসীর, রূহুল-মাআনী ও তাফসীরে উসমানী-সবক’টিতেই এ বিষয় বিস্তৃতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, নফস পরিশুদ্ধ করা মানে আত্মিক, মানসিক ও নৈতিক দিক থেকে পবিত্র করা; আর নফস বিনষ্ট করা মানে আত্মাকে বিভিন্ন মন্দ গুণে অগাধ করা।

২। নফস কী-তার প্রকৃতি ও কর্তব্য

নফস বলতে যা বোঝায়-এটি কেবল আবেগ বা কামনা নয়; নফস হল ইচ্ছা, প্রবৃত্তি, মনের সেই কেন্দ্রীয় ঘনিষ্ট অংশ যা মানুষকে নানা দিকেই টেনে নেয়। নফসকে আনুগত্যে আনা মানে-ইচ্ছাকে বিবেক ও আকলের নিয়ন্ত্রণে আনা; আকল ও বিবেককে আল্লাহর হুকুমের অধীনে রাখা। কোরআন–হাদীসে বারবার এই শিক্ষাই পুনরাবৃত্তি হয়েছে, নেক আমল তখনই উত্তম ফল দেয়, যখন তা অন্তরের শুদ্ধি থেকে উৎপন্ন হয়।

৩। অন্তরের রোগ: কিভাবে জন্ম নেয় ও কী ক্ষতি করে

মানব অন্তরে নানা রোগ বাসা বাঁধে-লোভ, হিংসা, অহংকার, রিয়া, কু-ধারণা ইত্যাদি। কোরআনে এবং হাদীসে এর প্রকৃতি ও ফলাফল সম্পর্কে সুস্পষ্ট আভাস আছে। আল্লাহর এক আয়াতে নারীদের আচরণের প্রসঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তির অন্তরে রোগ আছে, সে লালসায় ফেলবে (সূরা আহযাব ৩৩:৩২, আপনি আগে যে আয়াত উল্লেখ করেন তার বয়ানও এ প্রসঙ্গে দেওয়া আছে)। অর্থাৎ অন্তরের রোগ মানুষের আচরণকে বিকৃত করে, সমাজে অনিদ্রা ও দুঃখ সৃষ্টি করে।

হাদীসে রাসূল (সা.) বলেন, যে বান্দা কোনো গোনাহ করে, তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়বে; যদি সে তাওবা করে তবে তা মুছে যায়; যদি না করে, পুনরায় গোনাহ করলে কালো দাগ বেড়ে গিয়ে পুরো অন্তর ঢেকে দিয়ে যায়, এটিকেই কুরআন ‘রান’ (মরিচা) বলে উল্লেখ করেছে। (হাদীস: তিরমিযী—আপনি মূল লেখায় যে হাদীসের রেফারেন্স দিয়েছেন সেটিই এখানে প্রকাশ রয়েছে।)

এই “কলঙ্ক/কালো দাগ” বা “রান” হৃদয়ের স্বচ্ছতা, ইমানের উজ্জ্বলতা ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়। একবার হৃদয় মরিচা আচ্ছাদিত হলে নেক কাজের প্রতি টান কমে যায়, অনুতাপের অনুভব ক্ষীণ হয়, এবং ফলে মানসিক ও দুনিয়াভিত্তিক ক্ষতিগ্রস্তি বৃদ্ধি পায়।

৪। অন্তরের অসুস্থতা ও দেহের উপর প্রভাব

হাদীস বলে, দেহে একটি পিণ্ড আছে, তা যদি ঠিক থাকে, পুরো দেহ ঠিক থাকবে; যদি নষ্ট হয়, পুরো দেহ নষ্ট হবে—এটি হলো হৃদয়। (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম) অর্থ: অন্তরের সুস্থতা শরীরের সুস্থতার চেয়েও বেশি গুরুত্ববহ, কারণ অন্তরের রোগ আখিরাত ও দুনিয়া, দু’ইতেই বিপদ ডেকে আনতে পারে। অহংকার ও হিংসা,এগুলি হৃদয়ের ক্যান্সারের মতো; যারা এ রোগে আক্রান্ত, তাদের দুঃখ, সামাজিক বিচ্ছেদ ও অবস্থা দিন-দিন বেড়ে যায়।

৫। নফস পরিশুদ্ধির ধাপসমূহ (কিভাবে নিজেকে চিকিৎসা করবেন)

কর্মনিষ্ঠ তত্ত্ব নয়, কিন্তু অন্তরের শুদ্ধি অর্জনেও বাস্তব পদক্ষেপ প্রয়োজন। কিছু বাস্তব এবং ইসলামী পদ্ধতি নিম্নরূপ:

1. আন্তরিক অনুতাপ (নাদামা): পাপের জন্য হৃদয়ে সত্যিকারের লজ্জা ও অনুতাপ অনুভব করা, এটি তাওবার প্রথম শর্ত।

2. তাৎক্ষণিক ত্যাগ: পাপ যত দ্রুত সম্ভব ত্যাগ করা, বিলম্ব করা পাপকে স্বাভাবিকীকরণ করে।

3. দৃঢ় সংকল্প: আবার পাপের দিকে প্রত্যাবর্তন না করার দৃঢ় অঙ্গীকার।

4. নেক আমল বৃদ্ধি: নিয়মিত নামাজ, কুরআন পাঠ, যিকির, দান-সদকা ও রাতের ইবাদত, এসব অন্তরের স্বাস্থ্য পুনঃস্থাপন করে।

5. খারাপ সঙ্গ থেকে দূরে থাকা: যারা পাপের দিকে প্ররোচিত করে, তাদের সঙ্গ পরিহার করা।

6. ইলম ও তাসকিয়ার অনুশীলন: তাওহীদ, কিয়াম ও আখলাক-শিক্ষায় নিজেকে অনুশীলিত রাখা।

7. নিজের ওপর নজরদারি (মুরাকাবাহ): প্রতিনিয়ত নিজেকে প্রশ্ন করা, আমি কেন এটা করলাম? আমার উদ্দেশ্য কি পবিত্র? ইত্যাদি।

এই ধাপগুলো অনুশীলনের মাধ্যমে নফসের উপর জয়লাভ করা সম্ভব, এবং কোরআন যে সফলতার ঘোষণা করেছে সেটি ঘটানো যায়। তফসীরে উসমানী ও রূহুল-মাআনীসহ বিভিন্ন তাফসীরে এ ধরনের নৈতিক অনুশীলনের গুরুত্ব বারবার উল্লেখ আছে।

৬। অন্তরের রোগের বৃদ্ধি ও প্রতিকার (হাদীসের আলোকে)

রাসূল (সা.)-এর বর্ণিত “কালো দাগ” শুরুতে সহজেই মুছে যায় যদি বান্দা তাওবা করে। কিন্তু যদি না করে, বারবার গোনাহ করলে সে দাগ বাড়ে, একসময় অন্তর পুরোপুরি মরিচায় ঢেকে যায়—তখন আর অনুতাপ জাগে না। এই হাদীস থেকে আমরা শিক্ষা পাই—গোনাহের পর যতক্ষণ তাওবা করা হয় ততক্ষণই আল্লাহ রহমত প্রকাশ করেন; আর দেরি করলে অন্তর কঠিন হয়ে যায়, তখন তাওবার গ্রহণযোগ্যতা সংকুচিত হয়। ফলে অবিলম্বে তাওবার পরামর্শ কোরআন-হাদীস দু’ই জোর দিয়ে বলে।

৭। আধুনিক জীবনে অন্তরের রোগের বহিঃপ্রকাশ

আজকের কটর প্রতিযোগী ও ভোগবাদী বিশ্বে নফসের রোগ সহজে ছড়ায়, লোভ, দম্ভ, রিয়া-সবকিছুই সামাজিক প্রকাশে প্রাধান্য পাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মানুষ বাহ্যিকভাবে ধার্মিক চেহারা বজায় রাখে—কিন্তু অন্তরে কোনো পরিবর্তন নেই। এমন দেহতৃপ্তি নিয়ন্ত্রিত না হলে হৃদয়ের কলুষণ গোপন থেকে গোপনতর হয়ে যায়, তার ফল সামাজিক অশান্তি, সম্পর্ক বিচ্ছেদ ও আত্মহানির মনোভাবেও পড়তে পারে। কোরআন ও হাদীস এটি অঙ্গিকারভিত্তিকভাবে প্রতিহত করে—অন্তরের সুস্থতাই দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতার মূলে অবস্থিত।

৮। চূড়ান্ত সতর্কবার্তা: বিলম্বিত তাওবা ও মৃত্যুর সময়

কুরআন স্পষ্ট করে বলে-তাওবা তাদের জন্য নয় যারা গুনাহ করে, তারপর মৃত্যুর সময় এসে বলে, “আমি এখন তাওবা করলাম”; এবং যারা কাফের অবস্থায় মারা যায়-তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত। (সূরা আন-নিসা ৪:১৮) অর্থ: মৃত্যুর সময় করা তাওবা আর অন্তরের আন্তরিক অনুতাপ নয়; তাই তা গ্রহণযোগ্য নয়। অনেক বাস্তব কাহিনীই এই কড়াকড়ি বাস্তবতা প্রমাণ করে—লোক বলে “কাল থেকে বদলে যাব” কিন্তু কাল আসে না; মৃত্যু আসে হঠাৎ—তাওবার সুযোগ মিলেই না।

৯। একটি হৃদয়বিদারক বাস্তব কাহিনী (উদাহরণ)

এক অভিজ্ঞ আলেম তার বক্তৃতায় এমন একটি ঘটনা উল্লেখ করেছেন,এক ব্যক্তির দৈনন্দিন আচরণ ছিল: রাতের নামাজ শেষে কাঁদে কাঁদে তাওবা করে, সকালে আবার নিজের পুরনো কুপ্রবৃত্তিতে লিপ্ত থাকে। পরিবার-বন্ধু বারবার ধমক দিলেও তিনি বলতেন—“ভাই, আজকে একটু ভুল করেছি, কাল থেকে ঠিক হয়ে যাব।” একদিন হঠাৎ ভোরে তিনি বাড়ি থেকে কাজে বেরিয়ে যান; পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে তিনি যখন শেষ নিশ্বাস নিতে শুরু করলেন, তখন তার জিহ্বা, গতিশক্তি ও শ্বাস-প্রশ্বাস প্রতিকূল হয়ে যায়, তার মুখে আর “আস্তাগফিরুল্লাহ” বা তাওবার সঠিক উচ্চারণ আসলো না। তিনি অকালে মারা যান-তার পরিবার ও সমাজে গভীর অনুশোচনা ও দুঃখ রেখে। এ কাহিনী অনেকের কাছেই শিক্ষা হয়ে ওঠে-বলেন, “কাল থেকে” কথাটা যে কত ভ্রান্তিকর হতে পারে তা উপলব্ধি করা প্রয়োজন। এমন ঘটনাই কুরআন–হাদীসের সতর্কবার্তা বাস্তবে প্রমাণ করে।

১০। উপসংহার: আজই শুরু করুন অন্তরের চিকিৎসা

কোরআন ও হাদীস আমাদের বারবার বলেছে-নফস পরিশুদ্ধ করলেই প্রকৃত সফলতা আসবে। এই পরিশুদ্ধি নির্দিষ্ট অনুশীলনের মাধ্যমে অর্জন করতে হয়: আন্তরিক অনুতাপ, তাৎক্ষণিক পরিত্যাগ, দৃঢ় সংকল্প, নেক আমল বৃদ্ধি ও খারাপ পরিবেশ থেকে দূরত্ব। যারা সময়কে টাইম-আউট হিসেবে ধরেন-“আসলে কাল থেকে ভালো হবে” তারা বিপদের দিকে এগোচ্ছে। মৃত্যুর পূর্বাভাস নেই; তাই আজই নিজের অন্তরকে পরীক্ষা করুন-আপনার অন্তর কি স্বচ্ছ? কিম্বা মরিচায় ঢাকা? আজই তাওবা করুন,আন্তরিকভাবে, স্থায়ীভাবে ও সিদ্ধান্ত নিয়ে। কারণ অন্তরের শুদ্ধি না হলে বাহ্যিক সৌন্দর্য কোনোদিনই আপনাকে প্রকৃত সাফল্য দেবে না।

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে তাওভাবান্নি দান করুন, এবং আমাদের মরীচিকা পড়া হৃদয়কে পরিষ্কার রাখার তৌফীক দান করুন। আমীন ইয়া রব।

লেখক: বিশিষ্ট ইসলামিক কলামিস্ট-গবেষক হুসাইন আল আজাদ চেয়ারম্যান: MQ Global Foundation

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সুচী
শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৩:৪৪
সূর্যোদয়ভোর ৫:১১
যোহরদুপুর ১১:৫৭
আছরবিকাল ৩:১৬
মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৪৩
এশা রাত ৮:০৯

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সুচী
শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৩:৪৪
সূর্যোদয়ভোর ৫:১১
যোহরদুপুর ১১:৫৭
আছরবিকাল ৩:১৬
মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৪৩
এশা রাত ৮:০৯

সর্বশেষ

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত