
আওয়ার টাইমস নিউজ।
অর্থনীতি ডেস্ক: দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপি গ্যাস) নতুন ঘোষিত মূল্য খুচরা পর্যায়ে যথাযথভাবে মানা হবে, এ বিষয়ে নিশ্চিত আশ্বাস দিতে পারেননি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, কমিশন মূল্য নির্ধারণ করলেও বাস্তবে সেই দাম বজায় থাকবে কি না, তা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।
রোববার বিকেলে বিইআরসি কার্যালয়ে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান। বিইআরসি চেয়ারম্যানের ভাষ্য অনুযায়ী, অপারেটরদের সংগঠন ঘোষিত দাম অনুসরণের প্রতিশ্রুতি দিলেও মাঠপর্যায়ে সেটি কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে কমিশনের সরাসরি নিশ্চয়তা নেই।
খুচরা পর্যায়ে বাড়তি দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি নজরে রয়েছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর নিয়মিত বাজার তদারকিতে রয়েছে এবং অভিযান জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। উৎপাদন বা সরবরাহ পর্যায়ে অনিয়মের প্রমাণ মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
জালাল আহমেদ বলেন, উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে কমিশন নির্ধারিত দামে এলপিজি সরবরাহ করছে। তবে সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছু সীমাবদ্ধতা ও ঘাটতি রয়েছে, যা বাজার পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করছে, এ কথাও স্বীকার করেন তিনি।
এর আগে বিইআরসি জানায়, জানুয়ারি মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নতুন মূল্য রোববার সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হয়েছে।





























