
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক দফার আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। পাকিস্তানের রাজধানীতে দীর্ঘ সময় ধরে চলা বৈঠক ভেঙে যাওয়ার পর কূটনৈতিক অগ্রগতি থমকে গেছে।
ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আলোচনা ব্যর্থ হলেও কূটনৈতিক পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবে নতুন করে কবে আবার আলোচনা শুরু হতে পারে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানের বন্দরগামী জাহাজের ওপর কঠোর নজরদারি ও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর শুরু করেছে। এই পদক্ষেপকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তোলার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মূলত তিনটি বড় ইস্যুতে মতপার্থক্যের কারণে আলোচনা এগোয়নি। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রভাব বিস্তার এবং হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ ও নৌ চলাচল নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থান একেবারেই ভিন্ন।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে দুটি পথ খোলা রয়েছে। একটি হলো আরও কঠোর চাপ সৃষ্টি করা, যেমন নিষেধাজ্ঞা ও নৌ অবরোধ জোরদার করা। অন্যটি হলো কূটনৈতিক যোগাযোগ চালিয়ে যাওয়া এবং নতুন করে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া।
এদিকে চলমান যুদ্ধবিরতির সময়সীমা দ্রুত শেষের দিকে যাচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কোনো সমঝোতা না হলে আবারও সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। বিভিন্ন দেশ মধ্যস্থতার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকটে হরমুজ প্রণালি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশ্বে জ্বালানি তেল পরিবহনের একটি বড় অংশ এই পথ দিয়ে হয়। ফলে এখানে উত্তেজনা বাড়লে তার প্রভাব সরাসরি বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে পড়তে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা




























