
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহে মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, চাহিদার তুলনায় বর্তমানে মাত্র ৫ শতাংশ তেল সরবরাহ হচ্ছে, ফলে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, তেল কিনতে এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে ক্রেতাদের। অনেক ক্ষেত্রে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। বিক্রেতারা বলছেন, মিল থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় তারা পর্যাপ্ত তেল পাচ্ছেন না।
ঈদের পর থেকেই খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম লিটারপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে খোলা তেল ২১০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে, যেখানে সরকার নির্ধারিত বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯৫ টাকা। ফলে বোতলজাত তেলের তুলনায় খোলা তেল কিনতে বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।
ব্যবসায়ীদের দাবি, কমিশন কমে যাওয়ায় তারা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। তাই চড়া দামে তেল কিনে এনে নির্ধারিত দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।
এদিকে অভিযোগ উঠেছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তেলের দাম বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। ইতোমধ্যে ব্যবসায়ীরা বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ১২ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, এক লিটার বোতলজাত তেলের দাম ২০৭ টাকা এবং ৫ লিটারের বোতল ১ হাজার ২০ টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।
খোলা তেলের ক্ষেত্রেও দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যদিও সরকারিভাবে অনুমোদন না থাকলেও বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি চলছে।
ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, প্রতিবছরই একই কৌশলে সরবরাহ কমিয়ে বাজারে চাপ সৃষ্টি করা হয়। তারা কালোবাজারি ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।





























