
আওয়ার টাইমস নিউজ।
স্টাফ রিপোর্টার: জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, পতিত ফ্যাসিবাদীরা এক সময় রাজপথে লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করে লাশের উপর পৈশাচিক নৃত্য করেছিল, হেলমেট বাহিনী লেলিয়ে দিয়েছিল জনগণের ওপর। কিন্তু আজ তাদের অনুপস্থিতিতে নতুন করে ‘পাথর বাহিনী’র আবির্ভাব ঘটেছে। এ বাহিনীরই প্রমাণ রাজধানীর মিটফোর্ডে ব্যবসায়ীকে নির্মমভাবে পাথর মেরে হত্যার ঘটনা।
শনিবার বিকেলে ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াত আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। মিছিলটি তেজগাঁও সাতরাস্তা থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মগবাজারে গিয়ে শেষ হয়।
ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘বিপ্লোত্তর বাংলাদেশে একটি দল নিজেদের ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে চাঁদাবাজি, খুন, দখল ও নির্যাতন চালাচ্ছে। এ দেশের মানুষ আপনাদের ক্ষমতায় বসায়নি, আর জনগণ সন্ত্রাস-চাঁদাবাজদের ক্ষমতায় আনবেও না।’
তিনি বলেন, ‘যারা কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, তাদেরকে এ দেশের শান্তিপ্রিয় মানুষ কোনোভাবেই গ্রহণ করবে না। আগামী নির্বাচনে জনগণ এদেরকে প্রত্যাখ্যান করবে।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি নাজিম উদ্দীন মোল্লা, ডা. ফখরুদ্দীন মানিক, ইয়াছিন আরাফাত, হেদায়েত উল্লাহ, ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদী প্রমুখ।
রেজাউল করিম বলেন, ‘দীর্ঘ ১৫ বছর আওয়ামী শাসনে অপশাসন-দুঃশাসনের মাধ্যমে জনগণের ওপর যে জুলুম হয়েছে, ছাত্র-ঐক্যের বিপ্লবী প্রতিরোধের মুখে তার পরিণতি দেখতে হয়েছে তাদের। আজ যারা আবার ক্ষমতার দিবাস্বপ্ন দেখছে, তারা যদি শিক্ষা না নেয়, তাহলে ১৫ মাসও টিকতে পারবে না।’
তিনি অপরাধ দমনে প্রশাসনকে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যদি না পারেন, দায়িত্ব ছেড়ে দিন। বিপ্লবীরা নতুন গণবান্ধব প্রশাসন গড়ে তুলবে, যারা খুনি-চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।’
শেষে তিনি দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে পাথর বাহিনী, হেলমেট বাহিনী ও সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।





























