
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: চরমোনাইর ঐতিহাসিক অগ্রহায়ণ মাহফিলে দেশজুড়ে ঐক্য ও আদর্শিক রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালেদ হোসাইন। তিনি বলেন, “৫৪ বছর পর হাতে হাত ধরার সুযোগ এসেছে। সুযোগ বারবার আসে না, তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
মাহফিলের দ্বিতীয় দিনে উলামা-মাশায়েখ এবং দ্বীনদার বুদ্ধিজীবীর সমাবেশে তিনি বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির এবং চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
ঐক্যের আহ্বান
উপদেষ্টা খালেদ হোসাইন বলেন,
“যদি আমরা খোলাফায়ে রাশেদিনের আদর্শ অনুসারে আদর্শিক কল্যাণ রাষ্ট্র গড়তে চাই, তবে একে অপরের হাত ধরে চলতে হবে। টান যদি শেষ হয়ে যায়, জাতির পতন অনিবার্য।”
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রে দিনদার, সৎ ও পরহেজগার মানুষ যদি দায়িত্বে না থাকে, তবে ভুল এবং দুর্যোগ বারবার আমাদের দেশে নেমে আসবে।
নির্বাচনের প্রস্তুতি
ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিনি বলেন,
“এটি আমাদের শর্ট-টার্ম প্রজেক্ট। জনগণ চেষ্টা করবে সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ এবং ইনক্লুসিভ নির্বাচন নিশ্চিত করতে। ব্যালট বাক্সে কারো ভোট ছিনতাই বা পরিবর্তন করা যাবে না। সরকার শতভাগ প্রস্তুত।”
উপদেষ্টা আরও বলেন, নির্বাচনের পর আগামীর সরকার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করবে। পার্লামেন্টে আদর্শিক ও তাকওয়াসম্পন্ন সদস্য থাকলে দেশের চেহারা পাল্টে যাবে।
ধর্ম ও আইন সম্পর্কিত সতর্কবার্তা
ধর্মকে ব্যঙ্গ, অপব্যাখ্যা বা কটূক্তি করার ক্ষেত্রে তিনি সতর্কবার্তা দেন:
“ইসলামের বিষয়ে কথা বলতে হলে আলেম ওলামাদের ঐক্যবদ্ধ মতামত অনুসরণ করতে হবে। অন্যথায় সংঘাত এড়ানো সম্ভব নয়। ধর্মের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”
উপদেষ্টা নিশ্চিত করেছেন যে, ভবিষ্যতেও কেউ ধর্মের নামে বিশৃঙ্খলা করলে আইনের আওতায় আনা হবে এবং কারো জন্য কোনো সুযোগ থাকবে না।
ড. খালেদ হোসাইন স্পষ্টভাবে বললেন যে, দেশের কল্যাণ এবং স্থায়ী শান্তির জন্য ঐক্য এবং আদর্শিক নেতৃত্ব অপরিহার্য। সকল শিক্ষিত ও দ্বীনদার মানুষকে দায়িত্ব নিয়ে অংশগ্রহণ করতে হবে।





























