
আওয়ার টাইমস নিউজ।
অর্থনীতি ডেস্ক: নতুন ইংরেজি বছর শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্ববাজারে সোনার দামে উল্লেখযোগ্য ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। বছরের দ্বিতীয় দিনে আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম একদিনেই প্রায় ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৭২ দশমিক ৩৫ ডলারে পৌঁছেছে। কয়েক দিন আগে স্বল্প সময়ের জন্য দাম কিছুটা কমলেও নতুন বছরের শুরুতে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি আগ্রহে আবারও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে সোনার বাজার।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান সংঘাত এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ধারাবাহিক স্বর্ণ সংগ্রহের প্রবণতাই এই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ। আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার প্রতি আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে।
গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে সোনার দাম বছরে প্রায় ৬৪ শতাংশ বেড়েছিল, যা কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ বার্ষিক প্রবৃদ্ধির রেকর্ড। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার কমানোর ইঙ্গিত এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিমুক্ত সম্পদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ফলে বছরের শুরুতেই সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই ২০২৬ সাল শুরু করল সোনার বাজার।
সোনার পাশাপাশি রুপার বাজারেও দেখা গেছে বড় ধরনের উল্লম্ফন। একই দিনে আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট রুপার দাম ৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৩ দশমিক ৭৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের বছর রুপার দাম প্রায় দেড় গুণ বেড়ে বাজারে নতুন রেকর্ড গড়েছিল। শিল্প খাতে বাড়তি চাহিদা এবং সরবরাহ ঘাটতির কারণেই রুপার দামে এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বিশ্ববাজারে চলমান অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরও সোনা ও রুপার দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থেকেই যেতে পারে। বিশেষ করে ভারত ও চীনের মতো বড় বাজারে খুচরা চাহিদা বাড়লে মূল্যবান ধাতুর দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।





























