
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক হামলায় তারা নিজেদের আকাশসীমা, ভূখণ্ড কিংবা জলসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেবে না। একই সঙ্গে তেহরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত কোনো হামলায় লজিস্টিক বা সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও নাকচ করে দিয়েছে দেশটি।
সোমবার এক বিবৃতিতে ইউএই-এর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বর্তমান আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলায় সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগই সবচেয়ে কার্যকর পথ। উত্তেজনা কমানো, আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর ওপর জোর দেয়া হয় বিবৃতিতে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কোনো বিরোধ নিষ্পত্তিতে সামরিক পদক্ষেপ নয়, বরং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই স্থায়ী সমাধান সম্ভব। এই অবস্থান থেকেই ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো শত্রুতামূলক কার্যক্রমে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমিরাত।
ইরানের অর্থনৈতিক সংকট ও সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পর থেকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। এরই মধ্যে মার্কিন গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে, সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনসহ একটি নৌবহর ভারত মহাসাগর পেরিয়ে ওমান উপসাগরের দিকে অগ্রসর হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ইরানের ক্ষেত্রে সব ধরনের বিকল্প বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের এমন অবস্থানের জবাবে ইরানি কর্মকর্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, যেকোনো আক্রমণের ক্ষেত্রে তারা দ্রুত ও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, গত জুনে মার্কিন সমর্থনে ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে টানা ১২ দিনের সংঘর্ষ হয়। পরবর্তীতে ইরানের পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়।





























