
আওয়ার টাইমস নিউজ।
মহাবিশ্বের রহস্য ডেস্ক: ১৯৪৫ সালের ডিসেম্বর মাস। ফ্লোরিডার উপকূল থেকে প্রশিক্ষণ ফ্লাইটে উড়াল দেয় পাঁচটি সামরিক বিমান। আকাশ পরিষ্কার, আবহাওয়া স্বাভাবিক। শুরু হয়েছিল নিখুঁত যাত্রা। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই রেডিওতে আসে অদ্ভুত বার্তা! “আমরা দিক হারিয়েছি। সমুদ্রটা স্বাভাবিক লাগছে না।
কম্পাস কাজ করছে না।”
এরপর আর কোনো বার্তা পাওয়া যায়নি। বিমানের কোন ধ্বংসাবশেষ কখনো পাওয়া যায়নি। পাইলটদের মৃতদেহের কোনো চিহ্নও নেই। উদ্ধার অভিযান প্রায় একটি মাস চলে। মহাসাগরের বিশাল অংশ খুঁজেও কোনো ন্যূনতম সাফল্য আসে না।
গবেষকরা আক্ষরিকভাবে হতবাক। ওই সময় কোনো ঝড় বা প্রাকৃতিক ব্যাঘাত ছিল না। কম্পাসের অদ্ভুত ঘূর্ণন কেন ঘটল? বিমানের রাডার কেন কোনো অদৃশ্য শক্তি ধরা পেল না?
পরবর্তীতে কিছু প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয় জাহাজের ক্রু জানান, রহস্যময় রাতের সময় আকাশে অস্বাভাবিক কুয়াশা দেখা গিয়েছিল। এমন কুয়াশা, যা রাডারে ধরা পড়ে না। কেউ কেউ বলেন, পাইলটরা আকাশে হালকা নীলাভ আলো দেখেছিলেন, যা সাধারণ কোনো জ্যোতির্ময় নয়।
বিমানের লেজার ট্র্যাকিং, স্যাটেলাইট বা সমুদ্র তল অনুসন্ধান আজও কোনো ফল দেয়নি। বিজ্ঞান বলছে, এটি এক রহস্যময় অদৃশ্যতা। কিন্তু মনে হচ্ছে, বিমানের সঙ্গে কিছু অজানা শক্তি খেলার মতো আচরণ করেছিল।
আজও প্রশ্ন রয়ে গেছে।
মানুষ কি একা আকাশে বিপদ সামলাতে পারে? অথবা মহাসাগর ও আকাশে এমন কিছু শক্তি আছে, যা মানুষের চোখের সামনেই সবকিছু অদৃশ্য করে দিতে পারে?
যখন এই ঘটনা মনে পড়ে, কেবলই ধনুকের মতো শ্বাস থমকে যায়। হৃদয় আঁতকে ওঠে।





























