
আওয়ার টাইমস নিউজ।
স্পোর্টস ডেস্ক: আগামী বছর ICC Cricket World Cup অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া-তে। সরাসরি সেই বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করতে হলে আইসিসি র্যাংকিংয়ের শীর্ষ আট দলের মধ্যে থাকতে হবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল-কে। বর্তমানে দলটির অবস্থান দশ নম্বরে।
দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে এসেছে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। বুধবার থেকে শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম-এ শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এই সিরিজে ভালো পারফরম্যান্স করে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার সম্ভাবনা জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ।
সিরিজ শুরুর আগে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স বলেন, দলের লক্ষ্য শুধু র্যাংকিংয়ের আট নম্বরে ওঠা নয়, বরং আরও ওপরে উঠে নিজেদের অবস্থান শক্ত করা। তিনি জানান, কোয়ালিফিকেশন পর্বের সময় যদি দল ছয় বা সাত নম্বরে থাকতে পারে, তবে সেটি বড় অগ্রগতি হবে।
তিনি আরও বলেন, দলের ভারসাম্য বজায় রাখতে কিছু কৌশলগত পরিবর্তনের কথা ভাবা হচ্ছে। বিশেষ করে মিডল অর্ডারকে আরও শক্তিশালী করার দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, কারণ সাম্প্রতিক সময়ে এই জায়গাটি দলের দুর্বলতার অন্যতম কারণ ছিল।
বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বৈরথের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে ২০১৫ সালের সিরিজ। সে সময় ঢাকায় তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে ‘বাংলাওয়াশ’ করেছিল বাংলাদেশ। এবারও ভালো ফলের প্রত্যাশা থাকলেও প্রতিপক্ষের শক্তির কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন কোচ সিমন্স।
তিনি বলেন, পাকিস্তান সব সময়ই প্রতিভাবান ক্রিকেটার তৈরি করে। বর্তমানে র্যাংকিংয়ের চার নম্বরে থাকা দলটির নেতৃত্বে আছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। দলে বেশ কয়েকজন নতুন খেলোয়াড়ও রয়েছে, যাদের কেউ কেউ এখনও ওয়ানডে অভিষেকের অপেক্ষায়।
সিমন্সের মতে, নতুন হলেও পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা বিপজ্জনক হতে পারে এবং তারা আগের পরাজয়ের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সিরিজে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলবে।































