
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে তার জন্মভূমি মাশহাদে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পবিত্র ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে লক্ষ কোটি শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
দাফনের আগে ভোর থেকেই মাশহাদের প্রধান সড়ক ও ইমাম রেজা মাজার চত্বর শোকাহত মানুষের ঢলে পরিণত হয়। শেষ বিদায় জানাতে ইরানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ সেখানে সমবেত হন।
এদিকে খামেনির দাফনের দিনও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা অব্যাহত ছিল। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত একাধিক মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
এর আগে ইরানের পবিত্র শহর কোমে বিশাল শোকযাত্রা শেষে খামেনির মরদেহ ইরাকের নাজাফে নেওয়া হয়। সেখানে ইরানি ও ইরাকি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। পরে নাজাফ থেকে কারবালায় নিয়ে গিয়ে ইমাম হোসেন (আ.) ও হজরত আব্বাস (আ.)-এর মাজারে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন করা হয়।
শোকানুষ্ঠানের ধারাবাহিকতা শেষে বৃহস্পতিবার ইরাক থেকে মরদেহ মাশহাদে ফিরিয়ে আনা হয়। সেখানে রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় মর্যাদায় শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে ইরান ঘোষণা দেয়। তার মৃত্যুর পর টানা কয়েক দিন ধরে ইরান ও ইরাকে রাষ্ট্রীয় শোক, জানাজা ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসূচি পালন করা হয়।


























