৫ই এপ্রিল, ২০২৫, ৬ই শাওয়াল, ১৪৪৬
সর্বশেষ
যুদ্ধবিরতির পর ঘরে ফেরা মানুষ আবার রাস্তায়, ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাফা শহর
ব্যাংককে মোদি–ইউনূস বৈঠক, গণতন্ত্র ও সংখ্যালঘু সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা
শাহরাস্তি প্রিমিয়ার লিগ (এসপিএল) সিজন ২-এর মহারণ! ৫ এপ্রিল শনিবার জমকালো ফাইনাল
“বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতীয় আগ্ৰাসন ও ভয়ং’কর ষড়যন্ত্র রুখতে ড.মুহাম্মাদ ইউনূসের টানা ৫ বছর ক্ষমতায় থাকা অপরিহার্য।”
শিশুদের মনোযোগ বৃদ্ধিতে কার্যকর ব্যায়াম: দৈনন্দিন অভ্যাসেই মিলবে আশানুরূপ ফল
ব্যাংককে মুখোমুখি বৈঠকে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি
ইসলাম একটি আধুনিক ও উদার ধর্ম” ভারতীয় লোকসভায় বললেন কংগ্রেস নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ১৭০ জন প্রিয় হারালেন এক অভাগা ইমাম
ভূমিকম্প বিধ্বস্ত মিয়ানমারে জান্তার সাময়িক যুদ্ধবিরতি, উদ্ধার অভিযানে গতি আনার উদ্যোগ
যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক বৃদ্ধি: বাংলাদেশের রপ্তানিতে নতুন চ্যালেঞ্জ

দেশকে ১০ লাখ কোটি টাকার বিদেশি ঋণের বোঝায় রেখে ভারতে পালিয়েছে স্বৈরাচার খ্যাত সাবেক হাসিনা সরকার

আওয়ার টাইমস নিউজ।

নিউজ ডেস্ক: গত জুলাই-আগষ্টে ছাত্র ও সাধারণ জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগেই দেশকে ১০ লাখ কোটি টাকার বিদেশি ঋণের বোঝায় রেখে ভারতে পালিয়ে যান স্বৈরাচার খ্যাত সাবেক হাসিনা সরকার।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এমন আশ্চর্যজনক তথ্যই উঠে এসেছে।

ওই প্রতিবেদন তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন শেষে দেশে বিদেশি ঋণের মোট পরিমাণ ১০৩ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন (১০ হাজার ৩৭৯ কোটি) ডলারে পৌঁছেছে। প্রতি ডলার ১২০ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এই ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ১২ লাখ ৪৫ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৮৩.২১ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ, প্রায় ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা সরকারের নেওয়া। এতে সরকারের নিজস্ব, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও সরকারি সংস্থার ঋণ রয়েছে। বাকি ঋণের দায় বেসরকারি খাতের।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বেশি হারে সুদ ও কঠিন শর্তে নেওয়া এসব ঋণ সরকারি সংস্থাগুলোর দেওয়া পণ্য ও সেবার মূল্য বাড়িয়ে দিচ্ছে।

এর আগে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ওই সময় অর্থাৎ ২০০৮-০৯ সাল শেষে সরকারের বিদেশি ঋণ ছিল ৫০ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ গত ১৫ বছর ৮ মাসের ব্যবধানে দেশে বিদেশি ঋণ বেড়েছে ৫৩ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি বছরের মার্চ মাস শেষে সরকার ও বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণের স্থিতি ছিল ৯৯ দশমিক ৩০ বিলিয়ন (৯ হাজার ৯৩ কোটি) ডলার। অর্থাৎ তিন মাসেই প্রায় ৪ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার বিদেশি ঋণ নেয় বিগত সরকার।

এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, সাবেক সরকারের যথাযথ ঋণ ব্যবস্থাপনা না থাকায় দেশি উৎস থেকে বেশি পরিমাণে ঋণ নেওয়া হয়েছে। যদিও বৈদেশিক মুদ্রায় বিদেশি ঋণ নেওয়াকে সব সময় স্বাগত জানান অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা। গত ১৫ বছরে অনেক বিদেশি ঋণও নেওয়া হয়েছে। তবে এসব ঋণের বেশির ভাগই নেওয়া হয়েছে দর-কষাকষি ও সম্পুর্ন বাছবিচারহীনভাবে; যা সরকারের দায়-দেনা পরিস্থিতিতে চাপ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

ফেসবুক পেজ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

Archive Calendar
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত