
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হওয়ার পর দেশটিতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দেশটির সরকার হামলার পর সাত দিনের সরকারি ছুটি এবং ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে।
হামলায় খামেনির প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। এ ঘটনায় তার পরিবারের তিন সদস্যও নিহত হয়েছেন, মেয়ে, জামাতা এবং নাতি। ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এবং তাসনিম সংবাদ সংস্থা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে খামেনির প্রাসাদ লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। এতে প্রাসাদসহ আশেপাশের স্থাপনা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হামলার সঙ্গে সঙ্গে ইরানের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় ও বেসামরিক স্থাপনা রক্ষার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
ইরান সরকার এই হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে দায়ী করেছে। হামলার পর ইরানের নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিভিন্ন দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
ইরানের শীর্ষ নেতা খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। তার নেতৃত্বে ইরান রাজনৈতিক, সামরিক ও ধর্মীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখত। খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক কাঠামোতে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।





























