
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে ইরান-এর হামলা। কাতারের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি-তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তান-এ।
জানা গেছে, হামলায় গ্যাস প্রক্রিয়াজাতকরণ স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই কেন্দ্রটি কাতারের এলএনজি রপ্তানির মূল কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। ফলে উৎপাদন ব্যাহত হলে দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব পড়তে পারে।
জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ তাদের এলএনজি আমদানির প্রায় ৭০ শতাংশ কাতার থেকে পায়। অন্যদিকে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে এই নির্ভরতা প্রায় পুরোপুরি, আর ভারতের এলএনজি আমদানির বড় একটি অংশ আসে একই উৎস থেকে।
এই পরিস্থিতিতে গ্যাস সরবরাহ কমে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানার কার্যক্রম এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ ঘাটতি ও উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে।
এদিকে কাতারের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি প্রতিষ্ঠান QatarEnergy আগেই কিছু উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করেছিল। নতুন হামলার পর পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি দ্রুত উৎপাদন স্বাভাবিক না হয়, তাহলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়তে পারে এবং আমদানিনির্ভর দেশগুলোকে বিকল্প উৎস খুঁজতে হতে পারে।





























