
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সরে যাওয়ার ঘোষণার পর জরুরি বৈঠক করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনী ঐক্যের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষার নীতি গ্রহণ করেছে। ইসলামী আন্দোলন যদি পুনরায় জোটে ফিরে না আসে, তাহলে অবশিষ্ট আসনগুলোতে জোটভুক্ত দলগুলো প্রার্থী চূড়ান্ত করবে।
তিনি জানান, বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে আসন্ন নির্বাচনের সফরসূচি ও নীতিনির্ধারণী বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী ২০ জানুয়ারি জানানো হবে।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তা দ্রুত প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়।
এর আগে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেয়। সে প্রসঙ্গে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, জামায়াতে ইসলামী আদর্শচ্যুত হয়নি এবং কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি অবজ্ঞা বা তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেনি।
তিনি দাবি করেন, জোটভুক্ত দলগুলোর মধ্যে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে যাওয়ার একটি প্রক্রিয়া চলমান ছিল। ইতোমধ্যে ১০ দল মিলে ২৫৩টি আসনের বণ্টন সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ৪৭টি আসন এবং ইসলামী আন্দোলনের বিষয়ে জোটের লিয়াজোঁ কমিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
জুবায়ের বলেন, আসন সমঝোতা ও রাজনৈতিক আলোচনার ক্ষেত্রে কোনো পক্ষের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়নি। বরং স্বচ্ছতা, বাস্তবতা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রেখেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মনোনয়ন দাখিলের পরও কিছু বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বাকি থাকায় ধাপে ধাপে আলোচনা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা, দলগুলোর সাংগঠনিক সক্ষমতা, প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা এবং প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অবস্থান বিশ্লেষণ করে একাধিক জরিপের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব জরিপের ফল বিশ্লেষণ করেই আসন বণ্টনের বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে।




























