
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে আবারও বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণাগারে ড্রোন হামলার পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। কুয়েতি কর্তৃপক্ষের দাবি, এই হামলার পেছনে ইরানের সম্পৃক্ততা রয়েছে।
বুধবার সকালে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাংকগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হামলার পরপরই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো এলাকা ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
একই দিনে বাহরাইনেও অনুরূপ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। সেখানে একটি বেসরকারি স্থাপনায় আগুন লাগার খবর নিশ্চিত করেছে স্থানীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এতে বোঝা যাচ্ছে, হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে বেছে নেওয়া হচ্ছে।
কুয়েতের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের একজন মুখপাত্র জানান, বিমানবন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণাগারকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়। এতে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হলেও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে জরুরি সেবা দল।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই ধরনের হামলা এখন প্রায় নিয়মিত হয়ে উঠছে। কুয়েতসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো ক্রমেই ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব হামলা শুধু সামরিক নয়, অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করতেও বড় ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার ফলে বৈশ্বিক তেলের বাজারেও অস্থিরতা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিদিনের এমন হামলা ইঙ্গিত দিচ্ছে, সংঘাত দ্রুত থামার সম্ভাবনা এখনো দূরের বিষয়।
সূত্র: সিএনএন, আল জাজিরা





























