
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তমের ৯০তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৩৬ সালের এই দিনে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ীতে তার জন্ম। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। ডাকনাম ছিল কমল।
শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৫৩ সালে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। পরবর্তীতে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি থেকে কমিশন লাভ করে একজন পেশাদার সৈনিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে খেমকারান সেক্টরে সাহসিকতার পরিচয় দেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি দেশমাতৃকার জন্য অস্ত্র হাতে লড়াই করেন।
মুক্তিযুদ্ধের পর আবার সামরিক জীবনে ফিরে গেলেও সময়ের প্রয়োজনে তিনি রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে আসেন। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তনের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ধারায় নতুন অধ্যায় সূচনা করেন। তারই উদ্যোগে গঠিত হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), যা পরবর্তীতে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়।
শহীদ জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, সততা ও দেশপ্রেম আজও বহু মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস। তার শাসনামলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বাতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্যে পরিচিতি পায় বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আজ ১৯ জানুয়ারি বেলা ১১টায় শেরেবাংলা নগরে তার মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে দিনব্যাপী স্বেচ্ছায় রক্তদানসহ বিভিন্ন সেবামূলক কর্মসূচি পালনের কথা জানিয়েছে দলটি।
আগামীকাল ২০ জানুয়ারি তার বর্ণাঢ্য জীবন ও রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। এতে বিএনপির শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখবেন।




























