
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: ওসমান হাদী ছিলেন এমন একজন ব্যক্তি, যার জীবন ছিল অবিচল প্রতিরোধের প্রতীক। স্বাধীনতা, ন্যায় ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যের জন্য তার সংগ্রাম কোনো সময় কমেনি। ঘাতকের গুলিতে তার প্রাণ হরন করা গেলেও, তার ভাবনা, প্রতিজ্ঞা ও সাহস দেশের মানুষের মনে আজও প্রাণবন্ত।
ছোটবেলা থেকেই হাদি বুঝেছিলেন যে সংস্কৃতি ও সমাজের স্বাধীনতা ছাড়া দেশের প্রকৃত মুক্তি সম্ভব নয়। এই ধারণাকে সামনে রেখে তিনি গড়ে তুলেছিলেন এক শক্তিশালী আন্দোলন, যা আজ ‘ইনকিলাব মঞ্চ’ নামে পরিচিত। এখানে তিনি প্রতিনিয়ত সামাজিক অন্যায়, দুর্নীতি, শোষণ এবং বিদেশি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সচেতনতা ছড়াতেন।
হাদীর নেতৃত্ব শুধু রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ ছিল না, সাংস্কৃতিক মাধ্যমে তিনি দেশের মানুষকে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করতেন। পথনাটক, আবৃত্তি, কবিতা, সঙ্গীত, সবই ব্যবহার করতেন মানুষকে সচেতন করতে। তার লক্ষ্য ছিল যুবসমাজকে শিক্ষিত, শক্তিশালী ও স্বাধীনচেতা তৈরি করা।
শহীদ হাদী বিশ্বাস করতেন, ভয় না দেখলে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই কখনো শেষ হবে না। তার এই অটল মনোভাবের কারণে প্রতিটি হুমকি ও বাধা তার লড়াইকে আরো দৃঢ় করেছে। হাদীর জীবন ও কর্ম দেশের জন্য এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যে লড়াই থামানো যায় না, থামবে না।
আজও ইনকিলাব মঞ্চ তার আদর্শকে ধরে রেখে দেশের যুবসমাজকে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সক্রিয় রাখছে। হাদীর চিন্তাধারা, সাহস ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞা দেশের স্বাধীনতা, ন্যায় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষায় প্রজন্মের অনুপ্রেরণার উৎস।
ওসমান হাদীর লড়াই কেবল তার নিজস্ব সংগ্রাম নয়, এটি দেশের জন্য এক অবিস্মরণীয় বার্তা, সত্য, ন্যায় ও স্বাধীনতা কখনো ধ্বংস করা যায় না।



























