
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতের দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ২৩ দিন ধরে অনশনরত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বরখাস্তের দাবিতে অনড় থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে কেবল ফাঁকা ভিডিও বার্তা বা আশ্বাস নয়, দেখতে চায় সরাসরি কঠোর পদক্ষেপ।
শনিবার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নেতৃত্বে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে অনশনরত শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন রাহুল গান্ধী। বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের সামনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার ‘দুর্নীতি ও ধ্বংসের প্রতীক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন তিনি। রাহুল গান্ধী বলেন, শিক্ষামন্ত্রীকে অপসারণ ছাড়া আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই রাজপথ ছাড়বে না।
সরকারের অভ্যন্তরীণ গুঞ্জনের দিকে ইঙ্গিত করে রাহুল বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি যে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ে বদলি করার পরিকল্পনা চলছে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে-তাকে শুধু মন্ত্রণালয় নয়, পুরো সরকার থেকেই বের করে দিতে হবে।”
সম্প্রতি গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন বার্তা ও ভিডিও নিয়ে কটাক্ষ করে রাহুল গান্ধী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আজকাল গভীর রাতে ভিডিও বানাতে ব্যস্ত। কিন্তু শিক্ষার্থীরা আশ্বাস নয়, সরাসরি পদক্ষেপ চায়। প্রধানমন্ত্রীকে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বরখাস্ত করতে হবে।”
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি সহিংসতার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রাহুল গান্ধী তাঁর পাশে থাকা এক শিক্ষার্থীর পায়ের আঘাতের চিহ্ন দেখিয়ে বিচার দাবি করেন। তিনি বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীদের ওপর যারা লাঠিচার্জ করেছে, ছররা গুলি চালিয়েছে-তাদের শাস্তি দিতেই হবে। এই পুরো ব্যবস্থার প্রধান হিসেবে যন্তর মন্তরে এসে নির্যাতিত শিক্ষার্থীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীকে অবিলম্বে ক্ষমা চাইতে হবে।”
শিক্ষার্থীদের ভারতের ‘ভবিষ্যৎ’ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘অতীত’ হিসেবে বর্ণনা করে রাহুল জোর দিয়ে বলেন, “অতীত কখনো ভবিষ্যতের সঙ্গে লড়াই করে জিততে পারে না। এই দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো আপস করা হবে না।”
এদিকে মোদি বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়াতে সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেকেই দাবি করছে, বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসা সাবেক আওয়ামী প্রধানমন্ত্রী হাসিনা চরম আতঙ্কের মধ্যেই দিন পার করছে, আন্দোলনকারীরা স্লোগান দিচ্ছে, হাসিনা পোষা মোদি ছাড়তে হবে গদি, এমন স্লোগান স্পষ্ট যে, নরেন্দ্র মোদির বিদায়ের সাথে সাথে চরম বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়বেন বাংলাদেশী সাবেক আওয়ামী প্রধানমন্ত্রী হাসিনা



























