সর্বশেষ
আসিফ মাহমুদের দুর্নীতি প্রসঙ্গে যা বললেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল
ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ক্যাথেলেন সুজা
পাঠ্যক্রম পর্যালোচনাসহ শিক্ষায় তিন অগ্রাধিকার ঘোষণা
বাংলাদেশ
সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে নেওয়া টাকা চাঁদা নয়: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের জন্য ১৫ সদস্যের কমিটি গঠন, দায়িত্বে আছেন যারা
প্রবাসী হয়রানি বন্ধ করা হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
দেশের বাজারে আবারো কমেছে স্বর্ণের দাম, জানুন ভরি কত
শিক্ষা হবে রাষ্ট্রের প্রথম বিনিয়োগ: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
রমজান মাসেই চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড: পরিবেশমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে তিন বাহিনী প্রধানের বিশেষ সাক্ষাৎ
আমি জনগণের কামলা, মাননীয় মন্ত্রী বললে খারাপ লাগেঃ ধর্মমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেইন কায়কোবাদ
পবিত্র রমজানকে মুনাফা লাভের মাসে পরিণত না করতে ব্যবসায়ীদের কঠোর বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বাংলাদেশকে বিশাল সুখবর দিলে আইসিসি, আর ভারতকে চরম দুঃসংবাদ দিল অস্ট্রেলিয়ান গণমাধ্যম

শিক্ষা হবে রাষ্ট্রের প্রথম বিনিয়োগ: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

Our Times News

আওয়ার টাইমস নিউজ।

ডেস্ক রিপোর্ট: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, সরকার আর শিক্ষাকে খরচের খাত হিসেবে দেখবে না। শিক্ষা হবে রাষ্ট্রের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। মানবসম্পদ গঠনের মূল কারখানা এবং জাতি নির্মাণের প্রধান ভিত্তি হবে শিক্ষা খাত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক বছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ মোট বাজেটের প্রায় ১২ শতাংশের কাছাকাছি এবং জিডিপির অনুপাতে দেড় থেকে দুই শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। এটি একটি কাঠামোগত দুর্বলতা। তবে বর্তমান সরকারের নীতিগত অবস্থান স্পষ্ট। শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির পাঁচ শতাংশে উন্নীত করা হবে, যা নির্বাচনি অঙ্গীকারের অংশ।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী শিক্ষা খাতে জিডিপির চার থেকে ছয় শতাংশ এবং মোট সরকারি ব্যয়ের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বরাদ্দ প্রয়োজন। এই লক্ষ্য সামনে রেখেই অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে তিন বছরের মাঝারি মেয়াদি ‘ফিসক্যাল আপলিফট প্ল্যান’ প্রস্তুত করা হবে।

শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, অর্থ কোথায় এবং কীভাবে ব্যয় হচ্ছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বাজেটে সমতা ও শিক্ষার্থীদের শেখার ফলাফল হবে প্রধান সূচক। তিনি স্বীকার করেন, উন্নয়ন বাজেটের বড় অংশ বছরের শেষ দিকে খরচ হওয়ায় পাঠ্যপুস্তক, অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনেক সময় স্কুল ক্যালেন্ডারের সঙ্গে মিলছে না।

একটি কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি জানান, গত অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা খাতের উন্নয়ন তহবিলের প্রায় ৫৩ শতাংশ অব্যবহৃত থেকে ফেরত গেছে। এটি শুধু আর্থিক ব্যর্থতা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের সময় ও সুযোগ নষ্ট হওয়ার শামিল।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া স্কুল বর্ষপঞ্জির সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। অর্থ ছাড় দেওয়া হবে সমান কিস্তিতে নয়, বরং মাইলস্টোনভিত্তিক। পাঠ্যবই, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও নির্মাণকাজের জন্য আলাদা আলাদা সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, উন্নয়ন ব্যয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কারণ চলতি ব্যয় স্কুল চালু রাখে, আর উন্নয়ন ব্যয় স্কুলকে আধুনিক করে। শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, বিজ্ঞানাগার, গ্রন্থাগার, ভাষা ল্যাব, ডিজিটাল কনটেন্ট, মূল্যায়ন সক্ষমতা এবং নিরাপদ অবকাঠামো গড়ে তোলাই হবে মূল লক্ষ্য।

নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মিড-ডে মিল, পরিষ্কার টয়লেট এবং নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বারবার বলেছেন, শিক্ষার মান মানে শুধু বই নয়, শিক্ষার্থীর মর্যাদা।

ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কোনো গ্যাজেট প্রকল্প নয়, বরং শিক্ষণ-শেখার একটি পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি স্কুলপর্যায়ে ডিজিটাল লিটারেসি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে সচেতনতা এবং সাইবার নিরাপত্তা বাধ্যতামূলক সক্ষমতা হিসেবে যুক্ত করা হবে।

তিনি জানান, ধাপে ধাপে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে। শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার চাহিদা বিবেচনায় বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষায় শোনা ও বলার দক্ষতার ওপর জোর দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনের শেষদিকে ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি নয়, শিক্ষা দিয়েই রাষ্ট্র গড়া হবে। দক্ষ, ন্যায়ভিত্তিক ও প্রযুক্তিসক্ষম বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষাই সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সেই লক্ষ্যকে বাজেট, শ্রেণিকক্ষ, পরীক্ষা ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে বাস্তবে যুক্ত করা।

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সুচী
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৫:১২
সূর্যোদয়ভোর ৬:২৮
যোহরদুপুর ১২:১২
আছরবিকাল ৩:৩০
মাগরিবসন্ধ্যা ৫:৫৭
এশা রাত ৭:১২

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সুচী
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৫:১২
সূর্যোদয়ভোর ৬:২৮
যোহরদুপুর ১২:১২
আছরবিকাল ৩:৩০
মাগরিবসন্ধ্যা ৫:৫৭
এশা রাত ৭:১২

সর্বশেষ

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত