৫ই এপ্রিল, ২০২৫, ৬ই শাওয়াল, ১৪৪৬
সর্বশেষ
যুদ্ধবিরতির পর ঘরে ফেরা মানুষ আবার রাস্তায়, ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাফা শহর
ব্যাংককে মোদি–ইউনূস বৈঠক, গণতন্ত্র ও সংখ্যালঘু সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা
শাহরাস্তি প্রিমিয়ার লিগ (এসপিএল) সিজন ২-এর মহারণ! ৫ এপ্রিল শনিবার জমকালো ফাইনাল
“বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতীয় আগ্ৰাসন ও ভয়ং’কর ষড়যন্ত্র রুখতে ড.মুহাম্মাদ ইউনূসের টানা ৫ বছর ক্ষমতায় থাকা অপরিহার্য।”
শিশুদের মনোযোগ বৃদ্ধিতে কার্যকর ব্যায়াম: দৈনন্দিন অভ্যাসেই মিলবে আশানুরূপ ফল
ব্যাংককে মুখোমুখি বৈঠকে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি
ইসলাম একটি আধুনিক ও উদার ধর্ম” ভারতীয় লোকসভায় বললেন কংগ্রেস নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ১৭০ জন প্রিয় হারালেন এক অভাগা ইমাম
ভূমিকম্প বিধ্বস্ত মিয়ানমারে জান্তার সাময়িক যুদ্ধবিরতি, উদ্ধার অভিযানে গতি আনার উদ্যোগ
যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক বৃদ্ধি: বাংলাদেশের রপ্তানিতে নতুন চ্যালেঞ্জ

“বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতীয় আগ্ৰাসন ও ভয়ং’কর ষড়যন্ত্র রুখতে ড.মুহাম্মাদ ইউনূসের টানা ৫ বছর ক্ষমতায় থাকা অপরিহার্য।”

সম্পাদকীয় কলামঃ

“হুসাইন আল আজাদ ইবনে নোয়াব আলী। 

আওয়ার টাইমস নিউজ।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ইতিহাসে যুগান্তকারী এক পরিবর্তনের সময়ে আজ আমরা দাঁড়িয়ে আছি। জাতির এই গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে যে নামটি বারবার উঠে আসছে, তিনি হলেন প্রফেসর ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস। তার দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশ আজ অভূতপূর্ব সাফল্যের পথে এগিয়ে চলেছে। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমিকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিতে দেশের ভেতরে এবং বাইরে নানা ধরনের ভয়ংকর ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে । বিশেষ করে আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের হিংসাত্মক চক্রান্ত ও আধিপত্যবাদী মনোভাব বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে বারবার হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে।

ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয় থেকে পুনরুত্থান: প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহম্মদ ইউনুসের অসামান্য অবদান।

গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচার খ্যাত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়েছিল। দেশের ব্যাংকগুলো দেউলিয়া হওয়ার পথে এগোচ্ছিল, বিনিয়োগ চরমভাবে স্থবির হয়ে পড়েছিল, এবং বাজারে পণ্যের মূল্য অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গিয়েছিল। আমাদের মহান রভ আল্লাহর অশেষ রহমতে ডক্টর ইউনুসের দৃঢ় নেতৃত্বে অর্থনীতির চাকা সফলতার সাথে সচল হয়ে উঠে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র নোবেল জয়ী ব্যক্তিত্ব ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কৌশলী পরিকল্পনা এবং দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় দেশের ব্যাংকগুলো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে ফিরে আসে। স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন করে তিনি ব্যাংকিং খাতকে পুনরুজ্জীবিত করেন। ব্যাংকগুলোর স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তিনি আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেন, যা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করায়।

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সিন্ডিকেট ধ্বংসের সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ।

ডক্টর ইউনুস দেশের বড় বড় অর্থনৈতিক সিন্ডিকেটগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তার নেতৃত্বে অসাধু ব্যবসায়ী ও মুনাফাখোরদের তৈরি সিন্ডিকেটগুলো ভেঙে পড়েছে। এর ফলে বাজারে স্বাভাবিকতা ফিরে এসেছে এবং সাধারণ মানুষের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য কমে গিয়েছে।

তিনি দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড হাতে নিয়েছেন। সারা দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এবং অর্থনৈতিক সুযোগ বৃদ্ধি করে বেকারত্বের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে এনেছেন। তার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার ফলে গ্রামাঞ্চলগুলোতেও অর্থনৈতিক অগ্রগতি ঘটছে।

আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধিতে প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর ইউনূসের ভূমিকা।

ডক্টর ইউনুসের নেতৃত্বে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। বিশেষ করে চীনের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক গভীর থেকে গভীরতর হয়েছে। চীনের বিপুল বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন সহযোগিতা বাংলাদেশের অবকাঠামো ও রেলপথে নতুন গতির সঞ্চার করেছে।

ইতিমধ্যেই চীনের সাথে বাংলাদেশের এই মজবুত সম্পর্ক দেখে ভারতীয় সরকার মহল আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। ভারতের দীর্ঘদিনের আধিপত্যবাদী মনোভাবের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ডক্টর ইউনুস বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন এবং মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের দরবারে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ভারতের চাপে নতিস্বীকার না করে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দক্ষতার সাথে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরের দিশারী প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহম্মদ ইউনূসের ভূমিকা।

ডক্টর ইউনুসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরের পথে দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি আধুনিক প্রযুক্তি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষা খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছেন। দেশের কৃষিখাত, শিল্পখাত এবং রপ্তানি বাণিজ্যে তার দক্ষ পরিকল্পনার সুফল স্পষ্ট।

বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অস্থিরতার মাঝেও বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে, যা ডক্টর ইউনুসের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের ফসল। তিনি দেশের আর্থিক ব্যবস্থাকে এমনভাবে পুনর্গঠন করেছেন যে, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন আত্মনির্ভরতার পথে অগ্রসর হচ্ছে।

জাতিকে বিশ্বমানের উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত করতে ডক্টর ইউনুসের নেতৃত্ব অপরিহার্য।

আজ যখন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে, তখন ভারতের ভয়াবহ ষড়যন্ত্র আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ডক্টর ইউনুসের নেতৃত্ব ব্যতীত এই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব নয়। তার নেতৃত্বে দেশ আরও পাঁচ বছর এগিয়ে গেলে, বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাবে ইনশা-আল্লাহ্।

বাংলাদেশকে ভারতের ভয়ংকর ষড়যন্ত্র ও আগ্রাসন থেকে রক্ষা করতে প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহম্মদ ইউনুসকে আরও পাঁচ বছর ক্ষমতায় রাখতেই হবে। তার দূরদর্শিতা, অর্থনৈতিক সাফল্য এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক দক্ষতার কারণে দেশবাসীর আস্থা তার প্রতি আরও সুদৃঢ় হয়েছে। আল্লাহর রহমতে এবং ড. ইউনূসের প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে বাংলাদেশ একদিন বিশ্বের বুকে উন্নত ও মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

ফেসবুক পেজ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

Archive Calendar
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত