
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গাজা উপত্যকায় ১৫ মাসের টানা আগ্রাসন শেষে গত ১৯ জানুয়ারি ইসরায়েল একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। যুদ্ধবিরতির এই সিদ্ধান্তে অনেকেই আশার আলো দেখেছিলেন, ভেবেছিলেন হয়তো শান্তি ফিরবে এই বিধ্বস্ত জনপদে।
কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। মাত্র দুই মাসের শান্তির পর, গত মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে ইসরায়েল আবারও বিমান হামলা শুরু করে গাজায়। তাদের দাবি, হামাসের সঙ্গে কিছু বিষয়ে মতানৈক্য তৈরি হওয়ায় এই সামরিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, এটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত আক্রমণ, যার লক্ষ্য গাজাকে আরও অস্থিতিশীল করে তোলা।
এই হামলাগুলোতে নারী, শিশু এবং নিরীহ বেসামরিক মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে আবাসিক এলাকা, হাসপাতাল, স্কুল এবং ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র।
বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংস্থাগুলো একে একটি মানবিক বিপর্যয় হিসেবে আখ্যায়িত করছে। আন্তর্জাতিক সমাজ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের নিন্দা জানালেও, হামলার মাত্রা কমেনি।
বর্তমানে গাজার সাধারণ মানুষ চরম খাদ্য ও চিকিৎসা সংকটে রয়েছে। নিরাপদ আশ্রয় কোথাও নেই, আকাশে হামলার শব্দ আর মাটিতে কান্না—এই দুইয়ের মাঝেই বেঁচে থাকার লড়াই চালাচ্ছে তারা।