
আওয়ার টাইমস নিউজ:
স্টাফ রিপোর্টার:রাজধানীর উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হলে অন্তত ১৯ জন নিহত ও ১৬৪ জন দগ্ধ হন। দুর্ঘটনার সময় সাহসিকতা দেখিয়ে ক্লাসরুমে থাকা অন্তত ২০ শিক্ষার্থীকে বের করে আনেন শিক্ষিকা মেহেরীন চৌধুরী। পরে নিজে বের হতে না পারায় দগ্ধ হন তিনি। বর্তমানে তিনি জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।
বিধ্বস্ত বিমানটি ছিল ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম সাগরের প্রথম একক ফ্লাইট। দুর্ঘটনার পর তাকে সিএমএইচে নেওয়া হলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীরা জানান, স্কুল ছুটির সময় আগুন ধরে থাকা বিমানটি ভবনে আঘাত করে। এ সময় ভবনের ভেতর শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্টাফরা আটকা পড়ে।
ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস, বিজিবি ও সেনাবাহিনী উদ্ধার কার্যক্রম চালায়। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, বিশেষ করে বার্ন ইউনিটে।
আহতদের জন্য রক্তের প্রয়োজন দেখা দেওয়ায় সারা দেশ থেকে মানুষ রক্ত দিতে ছুটে আসছে। বিশেষ করে নেগেটিভ গ্রুপের রক্তের সংকট রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
সরকার এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে।
এস জি/এস এফ





























