
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বিজয়ী প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, এবারের জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচার এবং তাদের সহযোগী শক্তিগুলো জনগণ স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণার পর রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।
আখতার হোসেন বলেন, এবারের নির্বাচনে রংপুরের ছয়টি আসনের ফলাফল জনগণের রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছে। একদিকে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে অস্তিত্ব হারিয়েছে, অন্যদিকে স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে পরিচিত জাতীয় পার্টিও জনগণের আস্থা হারিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অতীতের মতো এবারও জনগণ তাদের রায় দিয়ে দেখিয়েছে কারা গ্রহণযোগ্য এবং কারা প্রত্যাখ্যাত। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে রংপুরের মানুষ জাতীয় পার্টিকে প্রত্যাখ্যান করেছে, যা ১১ দলীয় জোটের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক অর্জন।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে অনিয়ম, সহিংসতা ও কারচুপির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে দল ও জোট পর্যায়ে পর্যালোচনা চলছে। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হবে।
রংপুর-৪ আসনের ফলাফলে দেখা যায়, শাপলা কলি প্রতীকে আখতার হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৪ ভোট।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান জানান, এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৯ হাজার ৯০৬ জন। ১৬৩টি ভোটকেন্দ্রের ৯৪৪টি বুথে ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৩১৪ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে ৮ হাজার ২৬৩টি ভোট বাতিল হয়। বৈধ ভোটের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৩০ হাজার ৫১টি।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুরের ছয়টি আসনেই ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীরা জয় লাভ করেছেন। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর পাঁচজন এবং এনসিপির একজন প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।




























