
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: চট্টগ্রামের চন্দনপুরা এলাকায় স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের বাসায় শনিবার সকালে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলি ছুড়েছে। হামলার সময় বাড়িতে পুলিশি পাহারা থাকলেও আতঙ্ক ছড়ায় পরিবারের মধ্যে। ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন, বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদ তার কাছ থেকে কোটি টাকা চাঁদা না পাওয়ায় এই হামলার নির্দেশ দিয়েছেন।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে নামাজের পর সবাই ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। হঠাৎ বাড়ির পেছনে মুখোশধারী সন্ত্রাসীরা ৬–৭ রাউন্ড গুলি ছুড়তে থাকে। হামলাকারীদের হাতে পিস্তল, চায়নিজ রাইফেল ও অন্যান্য আধুনিক অস্ত্র ছিল। পুলিশি পাহারার পাঁচ-ছয়জন সদস্য তাদের লক্ষ্য করে প্রতিক্রিয়া দিতে চেয়েও আগেই সন্ত্রাসীরা চলে যায়।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, চারজন মুখোশধারী আগ্নেয়াস্ত্র হাতে উপস্থিত হন। একজনের হাতে দুইটি পিস্তল, একজনের হাতে সাবমেশিনগান, একজনের হাতে চায়নিজ রাইফেল এবং একজনের হাতে শটগান ছিল।
নগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন কবির ভূঁইয়া জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে চাঁদার জন্য সাজ্জাদ আলীর লোকজনকে হামলার সঙ্গে জড়িত ধরা হচ্ছে। সাজ্জাদের সহযোগী মো. রায়হান ও বোরহানকেও সন্দেহ করা হচ্ছে, তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
সাজ্জাদ আলী খান, পরিচিতি বড় সাজ্জাদ, দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। ১৯৯৯ সালে কাউন্সিলর লিয়াকত আলী খুনের পর অপরাধজগতে তার পরিচিতি তৈরি হয়। পরে একাধিক খুন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে সে দেশে না থাকলেও বাহিনী পরিচালনা করছে। পুলিশ বলেছে, তার বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন সক্রিয় শুটার ও সহযোগী রয়েছে, যারা বিদেশ থেকে নিয়মিত নির্দেশনা পায়।
এই হামলার ফলে ব্যবসায়ী পরিবারের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক বিরাজ করছে, এবং এলাকাবাসীও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে।






























