
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে বড় ধরনের আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির ডেমোক্র্যাট-নেতৃত্বাধীন একাধিক অঙ্গরাজ্য। অভিযোগ উঠেছে, মেইল-ইন ভোটিং সীমিত করতে জারি করা নতুন নির্বাহী আদেশ সংবিধানবিরোধী এবং ভোটাধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ২৩টি অঙ্গরাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসি এই মামলায় যুক্ত হয়েছে। নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের নেতৃত্বে মামলাটি দায়ের করা হয়। এতে পেনসিলভানিয়ার গভর্নরসহ একাধিক শীর্ষস্থানীয় ডেমোক্র্যাট নেতাও অংশ নেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের নিয়ম, সময় ও পদ্ধতি নির্ধারণের ক্ষমতা অঙ্গরাজ্যগুলোর, প্রেসিডেন্টের নয়। এছাড়া নতুন ভোটিং বিধিনিষেধ আরোপের ক্ষমতা কংগ্রেসের অধীনে থাকে, তাই এই নির্বাহী আদেশ আইনগতভাবে বৈধ নয়।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ট্রাম্পের আদেশে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগকে একটি ফেডারেল ভোটার তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ডাক বিভাগকে কেবল যোগ্য ভোটারদের কাছেই মেইল-ইন ব্যালট পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে ভোটাধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন বলছে, এই ব্যবস্থায় ভুল তথ্য বা অসম্পূর্ণ ডেটা ব্যবহার হলে অনেক বৈধ ভোটার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
এদিকে ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগ করে আসছেন। যদিও স্বাধীন পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর তথ্য বলছে, সেখানে ভোট জালিয়াতির হার খুবই কম।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই মামলা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করবে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।





























