
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোরভাবে আরোপ করেছেন উচ্চ মাত্রার শুল্ক। ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর প্রতিশোধমূলক শুল্ক আরোপ করেছেন, যা বিশ্ববাণিজ্যের গতিশীলতাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে।
২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি পণ্যের ওপর শুল্কহার ২ শতাংশ থেকে বেড়ে প্রায় ২৪ শতাংশে পৌঁছায়। কানাডা ও মেক্সিকোসহ প্রধান বাণিজ্য অংশীদারদের ওপর ২৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হলেও পরে কিছু স্থগিত ও সংশোধন করা হয়। চীনের পণ্যের ওপর ১৪৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়, আর চীনও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে ১২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোও এই নীতির ধাক্কা পায়। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার ওপর ১৯ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক নির্ধারণ করা হয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নতুন শুল্ক হার ২০ শতাংশ। বিশ্ববাণিজ্যের এই অস্থিরতা শেয়ার বাজারে ধস নামিয়েছে এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে।
তবে শুল্কারোপের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কোষাগারে ২৩৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি রাজস্ব জমা হয়, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় অনেক বেশি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতি বিশ্ববাণিজ্যের নিয়মানুগ গতিশীলতা ব্যাহত করেছে এবং ২০২৫ সালকে একটি অস্থির অর্থনৈতিক বছর হিসেবে চিহ্নিত করেছে।




























