
আওয়ার টাইমস নিউজ।
অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের স্বর্ণবাজারে দীর্ঘদিন ধরে মূল্য নির্ধারণে প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। আন্তর্জাতিক বাজারদর, ডলারের বিনিময় হার ও স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় সংগঠনটির ঘোষণার ভিত্তিতেই মূলত সোনার দাম নির্ধারিত হয়ে থাকে। তবে ঘনঘন দামের ওঠানামা ও স্বচ্ছতার প্রশ্নে ভোক্তাদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেছে।
এই প্রেক্ষাপটে স্বর্ণবাজারে একক প্রভাব কমিয়ে আনার বিষয়ে উদ্যোগের ইঙ্গিত দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাজারে স্বচ্ছতা বাড়ানো, মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় ভারসাম্য আনা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় নতুন নীতিমালা নিয়ে কাজ চলছে।
প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে, মূল্য নির্ধারণে একাধিক পক্ষকে সম্পৃক্ত করা, সরকারি তদারকি জোরদার করা এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় আধুনিক নজরদারি পদ্ধতি চালুর চিন্তা। এতে করে শুধু একটি সংগঠনের ওপর নির্ভরশীলতা কমে আসবে বলে মনে করছেন নীতিনির্ধারকরা।
বর্তমান ব্যবস্থায় বাজুসের ঘোষণাই কার্যত বাজারে দামের নির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিযোগিতামূলক কাঠামো গড়ে উঠলে মূল্য নির্ধারণে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং ভোক্তারা তুলনামূলক স্থিতিশীল দামে স্বর্ণ কিনতে পারবেন।
অন্যদিকে, ব্যবসায়ী মহলের একটি অংশ মনে করছে, হঠাৎ করে বড় পরিবর্তন আনা হলে বাজারে সাময়িক অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। তাই ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া উচিত বলে তারা মত দিচ্ছেন।
সব মিলিয়ে, স্বর্ণবাজারে দীর্ঘদিনের প্রচলিত পদ্ধতিতে পরিবর্তনের আভাস মিলছে। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে তা বাজারে কতটা স্বস্তি ফেরাতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।





























