
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের চলমান আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা বেশ কয়েকজন শিক্ষককে বিভিন্ন জেলায় বদলির সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার রাতে জারি হওয়া আদেশে মোট ৪২ সহকারী শিক্ষককে জেলা পরিবর্তন করে নতুন কর্মস্থলে পাঠানোর অনুমোদন দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে পটুয়াখালীর চার শিক্ষকও রয়েছেন, যাদের সবাইকে বরগুনার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর বদলির তালিকায় যাদের নাম রয়েছে,
মির্জাগঞ্জের দক্ষিণ ঝাটিবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গাজী মশিউর রহমানকে বরগুনার আমতলীর উত্তর চালিতাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে,
পূর্ব শ্রীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রাজিবুল হাসানকে বরগুনার আমতলীর উত্তর গেরাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে,
আমড়াগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এম. শামীম আহমেদকে বরগুনার তালতলীর নিদ্রারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে,
ছৈলাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. উজ্জল খানকে বরগুনার তালতলীর মরা নিদ্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রেরিত স্মারকের ভিত্তিতে এসব বদলির অনুমোদন দেওয়া হয়।
এ তালিকায় আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বেও থাকা পাঁচ শিক্ষকের নাম রয়েছে,
প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক খায়রুন নাহার লিপি, বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শামছুদ্দীন মাসুদ, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আবুল কাশেম, দশম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদের সমন্বয়ক মো. মাহবুবার রহমান এবং কিশোরগঞ্জের সহকারী শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান।
সাধারণত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নিজ জেলার মধ্যেই পদায়ন পান, তাই জেলা পরিবর্তনকে অনেকেই ‘শাস্তিমূলক বদলি’ হিসেবে দেখছেন। তবে এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের সহকারী পরিচালক মাহফুজা খাতুন জানান, “ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী প্রশাসনিক কারণেই এই বদলি করা হয়েছে।”
























