
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক হামলার নির্দেশ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, এমন একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ঘিরে ওয়াশিংটনে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে। সাবেক কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার বিশ্লেষক ল্যারি জনসনের বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
একটি আলোচনামূলক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে জনসন দাবি করেন, হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে ট্রাম্প পারমাণবিক হামলার বিষয়ে জোর দেন। তবে সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের পক্ষ থেকে আপত্তি তোলা হয়। বিশেষ করে জেনারেল ড্যান কেইন সরাসরি এ ধরনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওই বৈঠকে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং প্রেসিডেন্ট ও সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে মতবিরোধ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে এই বিষয়টি ঘিরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়।
এদিকে, সামরিক আইন ও সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের নির্দেশ কার্যকর করার বিষয়ে চূড়ান্ত কর্তৃত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সামরিক প্রধানরা প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত ঠেকাতে পারেন কি না, তা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।
অন্য একটি প্রতিবেদনে জানা যায়, ইরানে আটকে পড়া মার্কিন বৈমানিকদের উদ্ধারের সময় প্রেসিডেন্টকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। কারণ হিসেবে বলা হয়, সে সময় তার আচরণ অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ ছিল এবং এতে সামরিক অভিযানে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
সব মিলিয়ে, প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ও সামরিক নেতৃত্বের অবস্থানের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের পরিস্থিতি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাই নয়, বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্যও উদ্বেগজনক ইঙ্গিত বহন করে।
সূত্র: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম




























