সর্বশেষ
বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় পতন
দেশের সব মাদ্রাসায় ইআইআইএনভিত্তিক সিম সচল রাখার জরুরি নির্দেশ
মহাজাগতিক বিস্ময়: আজ পৃথিবীজুড়ে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান!
টাইফুন ‘দুজুয়ান’-এর প্রলয়ঙ্করি তাণ্ডবে চূর্ণ জাপান: লাশের সারি বেড়ে ৯, নিখোঁজ বহু!
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতকে মাত্র ৩২ রানে রুখে দিল জাপান, অতঃপর আম্পায়ারের নির্লজ্জ চু/রিতে কোনরকম রক্ষা পেল ভারত
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬: আজকের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?
জ্বালানির দাম বাড়তেই গণপরিবহনে ভাড়া নৈরাজ্য, কোথাও ২০ টাকা পর্যন্ত বেশি আদায়
ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি না দেওয়া দেশগুলোকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান এরদোগানের
মার্কিন আধুনিক প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পুরো বিশ্বকে চমকে দিল ইরান
পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করলে বাসে ককটেল হামলার রহস্য বের হবে: রাশেদ খান
বিশ্বনেতাদের সামনে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
তেলের দামে ওঠানামা, তবু বিশ্ববাজারে স্থির স্বর্ণের দাম
১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ, ঘটনাটি তদন্তে প্রশাসন
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?
৩ দাবি মানলে ঢাকা শহরে আর ককটেল ফুটবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ঐতিহাসিক ৫’ই মে হেফাজত কর্মীদের ক্ষতবিক্ষত লাশ মাতুয়াইল ডাম্পিং গ্রাউন্ডে বিষাক্ত মেডিসিনে গলিয়ে দেওয়ার রহস্য উন্মোচন!

Our Times News

আওয়ার টাইমস নিউজ।

নিউজ ডেস্ক: কোটা আন্দোলনে গণঅভ্যুত্থানের মুখে পড়ে সাবেক স্বৈরাচার খ্যাত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর নতুন করে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

কোটা আন্দোলনের প্রধান দুই সমন্বয়ক নাহিদ ও আসিফ কে নিয়ে ড. ইউনুস সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সাবেক হাসিনা সরকারের বিভিন্ন অপকর্ম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একের পর এক প্রকাশিত হচ্ছে।

এবার ২০১৩ সালের ৫ই মে গভীর রাতে সাবেক হাসিনা সরকারের প্রশাসন কর্তৃক হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের নেতা কর্মী ও ইসলাম প্রিয় সাধারণ জনতার ওপর বর্বর গণহত্যার রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত লাশ গুমের রহস্য নিয়ে ফারহান রাকিব নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে একটি লিখা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভাইরাল হয়েছে। সে লিখাটি আওয়ার টাইমস নিউজ পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।

শাপলা চত্বর ম্যাসাকার: ডাম্পিং গ্রাউন্ড মাতুয়াইল

২০১৬ সালে (মাসটা ঠিক মনে নাই, খুব সম্ভবত এপ্রিল কিংবা মে মাস হবে) ব্যক্তিগত একটা ডকুমেন্টারির কাজে সাইট রেকির জন্য আমি আর Mithun Banik গিয়েছিলাম ঢাকার যাত্রাবাড়ীর পেছনের দিকের এরিয়া, গোলাপবাগের ভেতরে। সেখান থেকে ঘুরতে ঘুরতে সন্ধ্যা পেরিয়ে আমরা পৌঁছে যাই কাজলার পাড় এলাকায়। লোকাল কয়েকজন ভাইব্রাদার কে নিয়ে এরিয়া ঘুরে দেখছিলাম, উনারাও আমাদেরকে বিভিন্ন এলাকা ও স্থাপনা দেখাচ্ছিলেন।

এক পর্যায়ে আমরা এসে পৌঁছাই কাজলার পাড়ের শেষ প্রান্তে, যেখানে শহরের চিহ্ন শেষ হয়ে খোলা ধানি জমি শুরু হয়েছে। আমাদের ডান পাশে ঢাকা-ডেমরা হাইওয়ে, সাঁই সাঁই করে গাড়ি যাচ্ছে। সামনে কিছুটা দূরে, বড় বড় ফ্লাডলাইটের আলোয় আলোকিত বিশাল এক খোলা অঞ্চল। কিছু বুলডোজার আর এক্সক্যাভেটর কাজ করছে, আর এই রাতের বেলাও উড়ছে শত শত কাক। আশেপাশে পুরোটাই খালি জায়গা হওয়ায় কাকের চিৎকার আমাদের কান পর্যন্ত ভেসে আসছে।

আমি একটু কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “ভাই ওইটা কি?” আমাদের সঙ্গে থাকা একজন উত্তর দিলেন, “ওইটা? ওইটা মাতুয়াইল ডাম্পিং গ্রাউন্ড!”

আমি তখন বললাম, “বাপরে, এত বড় ময়লার ভাগাড়ে কাউকে গায়েব করে ফেললে তো কোনদিন খুঁজেও পাওয়া যাবে না!”

এরপরেই উনাদের মাঝে নেমে এলো এক অস্বস্তিকর নীরবতা। ওই ভদ্রলোক নিজে থেকেই জানালেন এক নির্মম সত্য যেটা গোলাপবাগ, কাজলার পাড়, বিবির বাগিচা সহ আশেপাশের সব এলাকার মানুষই জানে কিন্তু মুখ খুলতে কেউ রাজি না।

২০১৩ সালের ৫ই মে রাতে মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের অন্তত এক লাখ কর্মীকে চত্বর থেকে সরানোর জন্য রাত ১টা থেকে জয়েন্ট অপারেশন শুরু করে পুলিশ-র‍্যাব-বিজিবি। এর দুইঘন্টা পর রাত ৩টা/সাড়ে ৩টার দিকে অনেকগুলো ট্রাক প্রবেশ করে মাতুয়াইল ডাম্পিং গ্রাউন্ডে।

সেই ট্রাকগুলো থেকে নামানো হয় সারি সারি পাঞ্জাবি পায়জামা পরা রক্তাক্ত লাশ। কারো মাথায় তখনো টুপি আছে, কারো মাথায় নাই। কারো বুকের মধ্যে গর্ত, কারো মাথায়। বোঝাই যাচ্ছে গুলি খাওয়া।

সেই লাশগুলোকে নিয়ে যাওয়া হয় ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে। সেখানে ওয়েস্ট প্রসেসিং মেশিনে গার্বেজের সাথে একে একে ফেলে দেয়া হয় লাশগুলো। ক্রাশিং এবং শ্রেডিং করে হাড় মাংস সব মিশিয়ে দেয়া হয় ময়লার সাথে। এমনভাবে মিশিয়ে দেয়া হয় যে প্রফেশনাল ফরেনসিক টিম আর তাদের ইকুইপমেন্ট ছাড়া খালি চোখে সেই প্রসেসড গার্বেজ দেখলে কেউ বলতে পারবেনা এর মধ্যে মানুষের দেহাবশেষ আছে। পুরো ঘটনাটা তদারকি করে র‍্যাব এবং লোকাল সরকার দলীয় কিছু নেতা।

সেইদিন এক্স্যাক্টলি কয়টা লাশের ভাগ্যে এই পরিণতি হয়েছিলো সেটা কেউ বলতে পারবে না। তবে নাম্বারটা যে তিন সংখ্যার কম নয় এই ব্যাপারে সবাই নিশ্চিত।

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সুচী
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৪:৪০
সূর্যোদয়ভোর ৫:৫৬
যোহরদুপুর ১১:৪৪
আছরবিকাল ৩:০৪
মাগরিবসন্ধ্যা ৫:৩৩
এশা রাত ৬:৪৮

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সুচী
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৪:৪০
সূর্যোদয়ভোর ৫:৫৬
যোহরদুপুর ১১:৪৪
আছরবিকাল ৩:০৪
মাগরিবসন্ধ্যা ৫:৩৩
এশা রাত ৬:৪৮

সর্বশেষ

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত