
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়া সৌহার্দ্য পরিবহনের বাস দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে। উদ্ধার হওয়া সবার পরিচয় ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ডুবে যাওয়া বাসটি পানির নিচ থেকে ওপরে তোলে। এ সময় বাসের ভেতর থেকে ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার ভোরে নদী থেকে আরও চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া দুর্ঘটনার সময় স্থানীয়রা আরও দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।
রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ জনের মরদেহ ইতোমধ্যে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, বাকি দুজনের হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘাট সূত্র জানায়, বাসটি ফেরিতে ওঠার জন্য পন্টুনে অপেক্ষা করছিল। এ সময় একটি ফেরির ধাক্কায় পন্টুন কেঁপে ওঠে। এতে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি সরাসরি পদ্মার গভীরে পড়ে মুহূর্তেই তলিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা বাসটিতে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর অল্পসংখ্যক যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন, বাকিদের খোঁজে শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। নিখোঁজদের স্বজনদের আহাজারিতে ফেরিঘাট এলাকা ভারী হয়ে উঠেছে।
ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধারকাজ শুরু করে। বর্তমানে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অবস্থান করছেন।






























