
আওয়ার টাইমস নিউজ।
স্পোর্টস ডেস্কঃ ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ম্যাচে জোড়া গোল করে নরওয়েকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছেন আর্লিং হল্যান্ড।
তবে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর শুধু ফল নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন নরওয়ের তারকা ফরোয়ার্ড আর্লিং হল্যান্ড এবং ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক দাবি করছেন, ম্যাচের আগে হল্যান্ড প্রতিপক্ষকে সম্মান জানিয়ে সংযত ও আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য দিয়েছিলেন। অন্যদিকে আনচেলত্তির কিছু ম্যাচপূর্ব মন্তব্যকে অনেকে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। যদিও এই মূল্যায়নগুলো সমর্থকদের নিজস্ব মতামত, এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রমাণ নেই।
বিশেষ করে ম্যাচের আগে আনচেলত্তি বলেছিলেন, হল্যান্ডকে ঠেকাতে ব্রাজিলের কোনো বিশেষ পরিকল্পনার প্রয়োজন নেই এবং তার ডিফেন্ডাররা জানেন কীভাবে তাকে সামলাতে হবে। কিন্তু ম্যাচের শেষ ভাগে সেই হল্যান্ডই জোড়া গোল করে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভেঙে দেন।
পরাজয়ের পর আনচেলত্তি বলেন, ব্রাজিল সুযোগ তৈরি করেছিল এবং তার মতে দলটি হার প্রাপ্য ছিল না। তবে তিনি স্বীকার করেন, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে হল্যান্ডই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন।
অন্যদিকে হল্যান্ড জয়ের পর এটিকে নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা দিন বলে মন্তব্য করেন। নরওয়ের কোচ স্তোলে সোলবাকেনও এই জয়কে দেশের ফুটবল ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ মুহূর্তগুলোর একটি হিসেবে বর্ণনা করেন।
বিশ্বকাপের এই অঘটনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই লিখছেন, “ফুটবলে প্রতিপক্ষকে কখনোই ছোট করে দেখা যায় না।” তবে হল্যান্ডের ব্যক্তিগত বিনয় বা আনচেলত্তির কথিত অহংকারই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করেছে, এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই; এটি মূলত সমর্থকদের ব্যাখ্যা ও আলোচনার অংশ।



























