
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন শেষে তুরস্ক থেকে ফেরার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ উড়োজাহাজ পরিবর্তন করেছিলেন। পরে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকির গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পরই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে আকাশপথে হামলার পরিকল্পনা করছিল বলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য ছিল। এ তথ্যের ভিত্তিতে ট্রাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিক্রেট সার্ভিস তাকে উড়োজাহাজ পরিবর্তনের পরামর্শ দেয়।
সম্মেলনে অংশ নিতে ট্রাম্প কাতারের উপহার হিসেবে পাওয়া একটি বোয়িং ৭৪৭-৮ উড়োজাহাজ ব্যবহার করেছিলেন। তবে ওই বিমানটিতে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানের মতো পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরে তিনি দেশে ফেরার জন্য পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান ব্যবহার করেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্য নির্দিষ্ট কোনো বিমান নয়, বরং ট্রাম্প নিজেই ছিলেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে বিষয়টি সীমিত পরিসরে রাখা হয় এবং মার্কিন প্রশাসনের খুব অল্পসংখ্যক কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়।
ন্যাটো সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্পও নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেন। যদিও শুরুতে তিনি উড়োজাহাজ পরিবর্তনের কারণ হিসেবে অন্য ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন।
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত মন্তব্য না এলেও প্রেস সেক্রেটারি জানিয়েছেন, কাতারের উপহার পাওয়া নতুন বিমানটিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রযুক্তি সংযোজনের কাজ করা হবে। এ সময় ট্রাম্প পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান ব্যবহার করবেন।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস



























