
আওয়ার টাইমস নিউজ।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধিঃ সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর তীব্র সমালোচনা করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর গ্রেপ্তার ঠেকানো যাবে না। সংবিধানে উল্লেখিত তাঁর গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে আর কোনো ধরনের সাংবিধানিক সুরক্ষা অবশিষ্ট নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
গত রোববার (২৬ জুলাই) রাত ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর মুক্তমঞ্চে ‘ন্যায়, গণতন্ত্র, অধিকার ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে’ এনসিপির ‘জুলাই জাগরণ’ পদযাত্রা ও পথসভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পথসভায় বিএনপির ভূমিকার কড়া সমালোচনা করে আখতার হোসেন বলেন, “বিএনপি জনগণের স্পষ্ট রায়ের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে রায় দেওয়া সত্ত্বেও বিএনপি সেই গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেনি। দেশের মানুষ দুটি ভোট দিয়েছিল—একটি সরকার গঠনের জন্য এবং অন্যটি নতুন রাষ্ট্র গঠনের গণভোটে। তারা সরকার গঠন করলেও জনগণের আসল রায় মানছে না।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থান, গণভোট এবং জুলাই আদেশের মধ্য দিয়েই বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে। তাই জুলাই সনদের নির্দেশনাসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না করা হলে জনগণ তা কখনোই মেনে নেবে না।
আওয়ামী লীগের সাথে বিএনপির তুলনা করে এনসিপির এই নেতা অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগের মতো বিএনপিও বর্তমানে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনকে দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে সর্বত্র নিজেদের লোক বসিয়ে দেশে নতুন করে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের পাঁয়তারা করা হচ্ছে।
পথসভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নারীশক্তির মুখ্য সংগঠক মাহমুদা মিতু বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া জীবদ্দশায় বলেছিলেন, দেশে কখনো জনগণের সরকার আসলে এই বিতর্কিত সংবিধান ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে। কিন্তু তারেক রহমান নিজ মায়ের সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন।”
উক্ত পথসভায় অন্যান্যদের মধ্যে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক আহসান ও যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা বক্তব্য প্রদান করেন।




























