
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দীর্ঘ দিনের ভয়াবহ রক্ত যুদ্ধ, এবং অস্থিরতার এক নতুন ভোরের অপেক্ষায় সিরিয়া। আগামী সোমবার আরবের গুরুত্বপূর্ণ এ দেশটিতে পালিত হবে পবিত্র ঈদ উল ফিতর। ৩০ দিন রোজা পালনের পর নতুন স্বাধীনতার স্বাদ নিয়ে দেশের প্রতিটি প্রান্তে ঈদের খুশি ছড়িয়ে পড়বে।
এই ঈদ সিরিয়ার মানুষের জন্য কেবল একটি উৎসব নয়, এটি স্বাধীনতার প্রথম স্বাদ! দীর্ঘ এক দশকের রক্তাক্ত অধ্যায় শেষে দামেস্কসহ পুরো দেশ নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। বাশার আল-আসাদের শাসনের অবসানের পর দেশজুড়ে পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে।
যেসব রাস্তা একসময় ছিল নির্জন ও আতঙ্কময়, সেসব এখন মুখরিত মানুষের কলরবে। দামেস্কের অলিগলিতে ঘুরলেই মনে হয়, শহর যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। বাজারগুলোতে মানুষের ভিড় উপচে পড়ছে। যেখানে একসময় নিরবতা আর গুলির শব্দ ছিল নিত্যসঙ্গী, সেখানে এখন হাসি, কোলাকুলি আর উৎসবের সুর।
ব্যবসায়ীরা উৎসাহ নিয়ে ক্রেতাদের ডাকছে, শিশুরা নতুন পোশাক কিনতে এসেছে। রঙিন বাতি আর সাজসজ্জায় শহরের প্রতিটি কোণ নতুন রূপে সজ্জিত।
এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “বাজারগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষণীয়। নিরাপত্তাকর্মীদের উপস্থিতি আমাদের মনে স্বস্তি দিচ্ছে। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখনও কঠিন, তবে আমরা আশা করছি শিগগিরই পরিস্থিতির উন্নতি হবে।”
এক বিক্রেতা বলেন, “বাজারগুলোতে স্পষ্ট পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। মানুষ কেনাকাটায় আগ্রহী এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকায় বাইরে চলাফেরায় আর ভয় নেই।”
সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান আবু মুহাম্মাদ আল জুলানি দায়িত্ব গ্রহণের পর জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আসাদ আমলের সংবিধান বাতিল করা হয়েছে এবং জনগণের সাথে সংযুক্ত থাকার প্রয়াসে রমজান মাসে মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন তিনি।
সূত্র: ইউরোনিউজ





























