
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন সুবর্ণা ঠাকুর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি উঠেছে, তিনি আগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ঘোষিত ৩৬ জনের তালিকায় তার নাম প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় তুমুল আলোচনা।
ভাইরাল হওয়া তথ্য অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের একটি পুরোনো কমিটিতে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সুবর্ণা ঠাকুরের নাম ছিল। সেই কমিটির তালিকাও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
এছাড়া একটি ভিডিওতেও তাকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে বক্তব্য দিতে দেখা গেছে বলে দাবি করছেন অনেকে। এতে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি আরও আলোচিত হয়ে ওঠে।
তবে এসব দাবি নাকচ করে সুবর্ণা ঠাকুর বলেছেন, আওয়ামী লীগের ওই কমিটিতে তার নাম অনুমতি ছাড়াই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল এবং তিনি কখনো সক্রিয়ভাবে ওই দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন, আবার দলের একটি অংশ এটিকে কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভিন্ন পটভূমির ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে দল সম্প্রসারণের চেষ্টা হতে পারে। তবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত দলীয় ভেতরে বিতর্কও তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন তারা।




























