সর্বশেষ
উচ্চ শিক্ষিত হলেই কি মানুষ হওয়া যায়? মানুষ হতে হলে কুরআন সুন্নাহর আলোকে জীবন গড়া আবশ্যকঃ হুসাইন আল আজাদ
১০৪ বছর বয়সে হজ পালন: অদম্য ঈমানের অনুপ্রেরণার প্রতীক ইন্দোনেশিয়ার এমবাহ্ মার্সিয়াহ্
মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরানের ভয়াবহ হামলা, হঠাৎ ভয়ডরহীন বেপরোয়া ইরানের শক্তি প্রদর্শনের রহস্য কী?
আগে স্বাধীন ফিলিস্তিন চাই, ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রশ্নই আসে না, ট্রাম্পের আহ্ববানকে পাত্তা না দিয়ে পাকিস্তানের কঠোর বার্তা
সাফ ফুটবলের মসনদে আবারও আওয়ামী আমলের‘দুর্নীতির বরপুত্র’ কাজী সালাউদ্দিন
ছেলেরা উচ্চ শিক্ষিত যুগ্মসচিব ও বুয়েটের শিক্ষক, অথচ নিঃসঙ্গ বাসায় ৪-৫ দিন ধরে মরে পচে পড়েছিলেন এক বৃদ্ধা মা, দেশজুড়ে শিক্ষিত অমানুষ সন্তানদের প্রতি মানুষের তীব্র ক্ষোভ
৭৫ হাজার টাকা বেতনে পল্লী বিকাশ কেন্দ্রে চাকরি, থাকছে প্রভিডেন্ট ফান্ড-উৎসব ভাতা
মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন
খামেনি জীবিত, ধীরে ধীরে আরও সক্রিয় হচ্ছেন: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
কুয়েত-বাহরাইনে কেন হামলা চালালো ইরান? কারণ জানিয়ে তেহরানের কড়া বার্তা
খামেনির জানাজা কবে? ইরান জানালো দাফনের সম্ভাব্য সময়
স্বর্ণের পর এবার রুপাতেও ধস, নতুন দামে চমকে উঠছে বাজার
স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, এক লাফে ভরিতে কত কমলো জানলে অবাক হবেন!
রাজধানীতে আজ বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস, স্বস্তি পেতে পারেন নগরবাসী
কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি আইআরজিসির, উত্তেজনা নতুন উচ্চতায়

যুদ্ধের পর ট্রাম্পকে খামেনির কঠোর হুঁশিয়ারি: শান্তি না প্রতিশোধ?

Our Times News

আওয়ার টাইমস নিউজ।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ভয়াবহ ১২ দিনের সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতি হলেও উত্তেজনার পারদ এখনো নামেনি। বরং যুদ্ধ-পরবর্তী প্রথম ভাষণে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বক্তব্যে ফুটে উঠেছে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি ও কঠিন প্রতিজ্ঞা—ইরান কখনো আত্মসমর্পণ করবে না।

ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের এই সাম্প্রতিক সংঘাত কেবল একটি যুদ্ধই ছিল না, বরং এটি ছিল একটি ভূরাজনৈতিক ও আদর্শিক মুখোমুখি অবস্থান। এই প্রেক্ষাপটে আয়াতুল্লাহ খামেনির সর্বশেষ ভাষণ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করে বলেন, “তারা যুদ্ধে নেমেছিল কারণ তারা ভেবেছিল ইসরায়েল নামক ইহুদিবাদী শাসন ধ্বংস হয়ে যাবে যদি না তারা হস্তক্ষেপ করে।”

পরাজয়ের স্বীকারোক্তি নাকি বিজয়ের প্রোপাগান্ডা?

খামেনির দাবি অনুযায়ী, ইরান আমেরিকার মুখে এক ‘কঠিন থাপ্পড়’ দিয়েছে। যদিও বাস্তবতা অন্য কথা বলছে। যুদ্ধের সমাপ্তিতে ইরান হারিয়েছে তার পরমাণু কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞানী, সামরিক কর্মকর্তা এবং ধ্বংস হয়েছে তিনটি কেন্দ্রীয় পারমাণবিক স্থাপনা—ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহান। এসব ক্ষতির ফলে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান বহু বছর পিছিয়ে গেছে।

অন্যদিকে ইরানি প্রতিশোধ সীমিত ছিল। কাতারে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বা হুথি-সমর্থিত কিছু আঞ্চলিক হামলা ছাড়া বড় কোনও প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি।

খামেনির প্রকাশ্যে আগমন: বাস্তবতার মুখোমুখি এক নেতা

যুদ্ধকালীন সময় আয়াতুল্লাহ খামেনি তেহরানের গোপন বাংকারে আশ্রয় নিয়েছিলেন। বিশ্ব গণমাধ্যম জানায়, তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ইলেক্ট্রনিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিলেন। এই সময়ে ইরান ছিল ধ্বংস, হতাশা ও মানবিক বিপর্যয়ের মাঝে। যুদ্ধবিরতির পর তিনি যখন প্রকাশ্যে এলেন, তাঁকে স্বাগত জানায় এক ক্ষতবিক্ষত বাস্তবতা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, খামেনি যুদ্ধের ফলাফলকে ‘বিজয়’ আখ্যা দিলেও, সেটি মূলত একটি প্রতীকী ও রাজনৈতিক কৌশল। বাস্তবতা হলো—সামরিক, কূটনৈতিক ও কৌশলগত দিক থেকে ইরান এক চরম প্রতিকূলতার মুখে পড়েছে।

মধ্যস্থতাকারী কারা? শান্তির স্থায়িত্ব কতটুকু?

এই যুদ্ধবিরতি হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও কাতারের আমিরের মধ্যস্থতায়। যদিও এই চুক্তিকে অনেকে দেখছেন একটি কৌশলগত সময়ক্ষেপণ হিসেবে। কারণ ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইতিমধ্যে আবার হামলার হুমকি দিয়েছেন এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন ইরানের বিরুদ্ধে।

তেহরানও পাল্টা জানিয়েছে, পরবর্তী আঘাতে তারা প্রস্তুত। ফলে এই যুদ্ধবিরতি যে খুব দীর্ঘস্থায়ী হবে না, তা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা জোর দিয়েই বলছেন।

শেষ কথা: শান্তি না সংঘাত?

খামেনির হুঁশিয়ারির মধ্য দিয়ে স্পষ্ট যে, ইরান নিজেকে পরাজিত ভাবতে নারাজ। কিন্তু মুসলিম বিশ্বের অনৈক্য, ভূরাজনৈতিক বিভাজন ও পাশ্চাত্যের আধিপত্যবাদী কৌশল একত্রে ইরানকে একাকী করে ফেলেছে।

এই মুহূর্তে মুসলিম বিশ্বকে ভাবতে হবে—এই সংঘাত শুধু ইরানের একক যুদ্ধ নয়। এটি ছিল তাদের আত্মপরিচয়, স্বাধীনতা এবং ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর পরীক্ষাও। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বেশিরভাগ মুসলিম রাষ্ট্রের নীরবতা ইতিহাসে অমার্জনীয় হয়ে রইল।

তথ্যসূত্র: Al Jazeera, BBC, Anadolu, X (formerly Twitter)

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সুচী
শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৩:৪৪
সূর্যোদয়ভোর ৫:১১
যোহরদুপুর ১১:৫৭
আছরবিকাল ৩:১৬
মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৪৩
এশা রাত ৮:১০

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সুচী
শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৩:৪৪
সূর্যোদয়ভোর ৫:১১
যোহরদুপুর ১১:৫৭
আছরবিকাল ৩:১৬
মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৪৩
এশা রাত ৮:১০

সর্বশেষ

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত