
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: সৌদি আরবে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। সর্বশেষ এক সপ্তাহের অভিযানে প্রায় ৮ হাজার প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হাজারো অবৈধ অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত পরিচালিত যৌথ অভিযানে মোট ৭ হাজার ৭৬০ জনকে আটক করা হয়। একই সময়ে ৪ হাজার ৬৯০ জন অবৈধ প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৪ হাজার ৬০ জন আবাসন আইন, ২ হাজার ৫৭৪ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং ১ হাজার ১২৬ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় আরও ১ হাজার ১৮৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে অধিকাংশই ইথিওপিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিক। এছাড়া অবৈধভাবে দেশ ত্যাগের চেষ্টা করার সময় আরও ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বর্তমানে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২১ হাজার ৭৭৪ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এদের মধ্যে ২০ হাজার ৪৫৫ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ৩১৯ জন নারী।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশে ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১৪ হাজার ৪৯৫ জনকে নিজ নিজ দেশের দূতাবাস বা কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি চূড়ান্ত বহিষ্কার কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য আরও ৮৫০ জনকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়া, পরিবহন করা বা কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে সৌদি সরকার।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, অবৈধভাবে দেশে প্রবেশে সহায়তা, আশ্রয় প্রদান কিংবা যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। পাশাপাশি অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন ও সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে।
অবৈধ অনুপ্রবেশ বা আইন লঙ্ঘনের তথ্য থাকলে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্যও দেশটির নাগরিক ও বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সৌদি সরকার।
সূত্র: সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়




























