
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর কয়েক মাস পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন নতুন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপে পড়েছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
নির্বাচনি প্রচারণায় বিদেশে অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ এড়িয়ে চলার প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতায় এসে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্যের নতুন সংঘাতে জড়িয়েছেন। শুরুতে সামরিকভাবে কিছু সাফল্য এলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই যুদ্ধকে ঘিরে প্রশ্ন বাড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর ধারাবাহিক হামলা চালিয়েও দেশটির পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি থামানো যায়নি। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে তেহরানের প্রভাবও অটুট রয়েছে। এতে ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষিত লক্ষ্যগুলো কতটা সফল হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
হোয়াইট হাউস দাবি করছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক অভিযানে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করেছে। তবে সমালোচকদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান চাপে পড়ছে।
বিশেষ করে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগামী নির্বাচনের আগে এই যুদ্ধ তার জনপ্রিয়তায়ও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
এদিকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, ইরানের সামরিক অবকাঠামোয় ক্ষতি হলেও দেশটির নেতৃত্ব এখনো কঠোর অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি।
কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, এই সংঘাত দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক কৌশল ও মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি


























