
আওয়ার টাইমস নিউজ।
নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা করেছে সরকার। আর এই বেতন বৃদ্ধি সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে দুর্নীতির প্রবণতা কমাতে সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আজ শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “বেতন বৃদ্ধি হলে তো দুর্নীতি কমার কথা। মানুষের অভাব-অনটন থাকলে দুর্নীতির দিকে ঝোঁকার প্রবণতা তৈরি হয়। এটি বিশ্বের প্রায় সব দেশেই দেখা যায়।”
এর আগে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন তিনি। বাজেট বক্তৃতায় আগামী জুলাই মাস থেকে ধাপে ধাপে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি চাকরিজীবীরা গত ১১ বছর ধরে একই বেতন কাঠামোর আওতায় রয়েছেন। অথচ এ সময়ে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় তাদের বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণ করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল।
তবে তিনি স্বীকার করেন, নতুন বাজেটে কিছু পণ্যের দাম বাড়তে পারে, ফলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সরকারি চাকরিজীবীদের জীবনযাত্রার ব্যয়ও বৃদ্ধি পাবে। তারপরও বেতন সমন্বয়ের মাধ্যমে সেই চাপ কিছুটা লাঘব হবে বলে আশা করছে সরকার।
নতুন পে-স্কেল ঘোষণার পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও, শুধু বেতন বৃদ্ধি দুর্নীতি কমাতে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।



























