
আওয়ার টাইমস নিউজ।
স্পোর্টস ডেস্ক: শেষ বল, প্রয়োজন ৬ রান—চাপের এমন মুহূর্তে চোখধাঁধানো এক ছক্কায় রংপুর রাইডার্সের বিদায় নিশ্চিত করে সিলেট টাইটানসের ইতিহাস গড়ে দিলেন ইংলিশ অলরাউন্ডার ক্রিস ওকস। নাটকীয় এই জয়ে বিপিএলের ফাইনালের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল সিলেট।
শেষ ওভারে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিলেন রংপুরের পেসার ফাহিম আশরাফ।
৬ বলে প্রয়োজন ছিল ৯ রান। প্রথম বলে ডাবল, পরের দুই বলে টানা ডট-রংপুরের ডাগআউটে তখন জয়ের আশার আলো। চতুর্থ বলে মঈন আলীকে আউট করে রংপুরকে স্বপ্ন দেখান ফাহিম। কিন্তু শেষ বলেই সব বদলে যায়।
১ বলে ৬ রানের সমীকরণে কাভারের ওপর দিয়ে দুর্দান্ত ছক্কা হাঁকিয়ে নায়ক বনে যান ক্রিস ওকস। বল বাউন্ডারি ছাড়াতেই সিলেটের ডাগআউট থেকে উচ্ছ্বাসে মাঠে ছুটে আসেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও পারভেজ হোসেন ইমনরা। বিপরীতে, জয় হাতছাড়া হওয়ায় রংপুর শিবিরে নেমে আসে হতাশার ছায়া—কয়েকজন ক্রিকেটার মাঠেই বসে পড়েন।
১১২ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে ছন্দ হারায় সিলেট। দলীয় ৪৪ রানের মধ্যেই ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। সেখান থেকে স্যাম বিলিংস ও মিরাজের ৫০ রানের জুটি ম্যাচে ফেরায় সিলেটকে। তবে মাত্র ৩ রানের ব্যবধানে এই দুজন ফিরলে আবার নাটকীয় মোড় নেয় ম্যাচ। শেষ পর্যন্ত ওকসের ঠাণ্ডা মাথার ব্যাটিংয়েই আসে কাঙ্ক্ষিত জয়।
সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন স্যাম বিলিংস। রংপুরের পক্ষে মুস্তাফিজুর রহমান ও আলিস আল ইসলাম নেন ২টি করে উইকেট। পাঁচজন বোলারই উইকেট পেলেও শেষ হাসি হাসতে পারেনি রংপুর।
রংপুরের ব্যাটিং বিপর্যয়।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধস নামে রংপুরের ইনিংসে। ৬৩ রানের মধ্যেই ৫ উইকেট হারায় ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নরা। পরে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও খুশদিল শাহের জুটিতে শতরান পার করে দল। মাহমুদউল্লাহ সর্বোচ্চ ৩৩ এবং খুশদিল ৩০ রান করেন। ১৪ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন সিলেটের পেসার খালেদ আহমেদ।
এই পরাজয়ে বিপিএলের টানা চতুর্থ আসরেও শেষ চারে থামতে হলো রংপুর রাইডার্সকে। অন্যদিকে সিলেট টাইটানসকে ফাইনালে উঠতে হলে আরও একটি বাধা টপকাতে হবে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে তাদের প্রতিপক্ষ আজ রাতেই নির্ধারিত হবে—চট্টগ্রাম রয়্যালস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের মধ্যকার প্রথম কোয়ালিফায়ারে পরাজিত দলটির বিপক্ষে খেলবে সিলেট।





























