
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুদ্ধ, অবরোধ আর নিরব বিশ্বের নিষ্ঠুর উদাসীনতার মাঝে প্রতিদিন হাজারো মানুষ লড়ছেন একবেলা খাবারের জন্য। সেই বাস্তবতারই এক হৃদয়বিদারক চিত্র ধরা পড়েছে ধ্বংসস্তূপের ভেতর।
ধুলোমাখা রাস্তায়, ভাঙা বাড়ির ধ্বংসাবশেষের পাশে, তীব্র ক্ষুধায় কাতর হয়ে মাটি থেকে পড়ে থাকা সামান্য আটা কুড়াচ্ছে একটি ছোট শিশু। তার পাশে নুয়ে পড়া শরীর নিয়ে বসে আছেন এক বৃদ্ধা-হাত কাঁপছে, চোখে অসীম ক্লান্তি, মুখে দীর্ঘদিন না খাওয়ার চিহ্ন। খাবার নেই, পানি নেই, আশ্রয় নেই-তবুও বেঁচে থাকার জন্য এই সামান্য আটা যেন তাদের শেষ ভরসা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে অবরোধ ও সংঘর্ষের কারণে খাদ্য সরবরাহ কার্যত বন্ধ। বাজার নেই, কাজ নেই, সাহায্য পৌঁছায় না। শিশুরা কান্না করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে, আর বৃদ্ধরা নীরবে মৃত্যুর অপেক্ষা করছেন। বহু পরিবার দিনের পর দিন না খেয়েই রাত কাটাচ্ছে।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন,“আমরা আর বোমার শব্দে ভয় পাই না। এখন সবচেয়ে বড় ভয় ক্ষুধা। ক্ষুধা এমন এক শত্রু, যেটা প্রতিদিন ধীরে ধীরে মেরে ফেলে।”
মানবাধিকার সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলছে, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ফি/লি/স্তিনে একটি পূর্ণাঙ্গ মানবিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। শিশুরা অপুষ্টিতে ভুগছে, বৃদ্ধরা চিকিৎসা ছাড়াই মারা যাচ্ছেন, অথচ আন্তর্জাতিক বিশ্ব কেবল বিবৃতি দিয়েই দায় সেরেছে।
মাটি থেকে কুড়ানো সেই আটা শুধু খাবার নয়, একটি জাতির বেঁচে থাকার আর্তনাদ। এই দৃশ্য প্রশ্ন ছুড়ে দেয় গোটা মানবতার দিকে:
ক্ষুধায় কাতর শিশু ও বৃদ্ধার এই ছবি কি এখনো আমাদের বিবেককে নাড়া দেবে না?
আজ ফি/লি/স্তিনে যুদ্ধ শুধু অস্ত্র দিয়ে নয়, চলছে ক্ষুধা দিয়ে, নীরবতা দিয়ে, আর বিশ্বের চোখ বন্ধ করে রাখার মাধ্যমে।


























