
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: রাজশাহীর তানোর উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ধানের বাজারদর ও উৎপাদন খরচের মধ্যে বড় ধরনের অমিল দেখা দিয়েছে, ফলে চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন কৃষকেরা।
তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি জানান, চলতি মৌসুমে এক মণ ধান বিক্রি করে যে আয় হচ্ছে, তা দিয়েই একজন শ্রমিকের দৈনিক মজুরি পরিশোধ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। বর্তমানে বাজারে এক মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ৮৩০ থেকে ৮৫০ টাকায়, কিন্তু একজন শ্রমিকের দৈনিক মজুরি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত।
এ অবস্থায় বোরো চাষে ব্যাপক লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষকদের। শ্রমিক সংকট, বহিরাগত শ্রমিক না আসা এবং ধান কাটার সময় অতিরিক্ত চাহিদার কারণে মজুরি বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
কৃষকরা আরও জানান, আগের তুলনায় এখন মাড়াই ও কাটার খরচও বেড়েছে। আগে যেখানে নির্দিষ্ট পরিমাণ ধান শ্রমিকদের দিতে হতো, এখন তা আরও বেশি দিতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে।
তানোরের বিলকুমারী বিলসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় আগাম বোরো ধান চাষ হয়। বর্তমানে ধান কাটা চললেও বিঘাপ্রতি লাভের বদলে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত লোকসান হচ্ছে বলে দাবি কৃষকদের।
স্থানীয়রা জানান, শ্রমিক সংকটের কারণে ধান কাটতে দেরি হচ্ছে এবং স্থানীয় শ্রমিকদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, যারা দৈনিক মজুরিতে কাজ করছেন। এতে চাষাবাদের খরচ আরও বেড়ে যাচ্ছে।
কৃষকেরা সরকারের কাছে সরাসরি ধান ক্রয় বা ন্যায্য দামে সংগ্রহ ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন, যাতে প্রান্তিক কৃষকরা কিছুটা হলেও ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেন।




























