
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের নতুন কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশে উড্ডয়নের সময় নিজেদের গতিপথ পরিবর্তন করতে সক্ষম বলে দাবি করেছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তাদের দাবি, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে শত্রুপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতা বাড়বে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাতে জানা যায়, সোমবার উত্তরাঞ্চলীয় কাজভিন শহরে এক অনুষ্ঠানে আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহাবি এসব দাবি করেন।
তিনি বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি আগের অবস্থায় নেই। আগে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র নির্দিষ্ট স্থান থেকে উৎক্ষেপণের পর একটি নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানত, নতুন প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর ক্ষেত্রে সেই সক্ষমতার পরিবর্তন এসেছে।
মোহাবির দাবি, নতুন কিছু ক্ষেপণাস্ত্র উড্ডয়নের সময় নিজেদের দিকনির্দেশনা ও গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। এর ফলে প্রতিপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য এসব ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও প্রতিহত করা আরও কঠিন হতে পারে।
সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে এসব প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন আইআরজিসির এই মুখপাত্র। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিপক্ষের সামরিক সক্ষমতার নেটওয়ার্কের বিভিন্ন অংশকে লক্ষ্যবস্তু করতে এসব প্রযুক্তি ব্যবহারের চেষ্টা করেছে ইরান।
মোহাবি আরও বলেন, ইরানের প্রযুক্তিগত যুদ্ধের লক্ষ্য শুধু ভবন বা সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করা নয়। প্রতিপক্ষের সিদ্ধান্ত গ্রহণব্যবস্থা এবং প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কেও আঘাত হানার সক্ষমতা অর্জন করাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ইরানের সামরিক প্রযুক্তি নিয়ে আইআরজিসির এই দাবি এমন সময়ে সামনে এলো, যখন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা এবং পাল্টাপাল্টি অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তবে ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর নির্দিষ্ট মডেল, প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য, পরীক্ষার ফলাফল বা দাবিটির স্বাধীন কোনো যাচাইয়ের তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। ফলে আইআরজিসির দাবিকে আপাতত দেশটির নিজস্ব বক্তব্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, ইরনা।




























