
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছেন সাধারণ মানুষ।সরকারের পক্ষ থেকেও দ্রুত বিচার সম্পন্নের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে অতীতের বহু আলোচিত মামলার দীর্ঘসূত্রতার কারণে জনমনে এখনো রয়েছে বড় ধরনের সংশয়।
সাম্প্রতিক এই ঘটনার পর আবারও আলোচনায় এসেছে চাঁদপুরের আলোচিত সিরিয়াল কিলার রসু খাঁর নাম। অভিযোগ রয়েছে, তিনি একাধিক নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছিলেন। কয়েকটি মামলায় আদালত তার মৃত্যুদণ্ডের রায় দিলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো সেই সাজা কার্যকর হয়নি।
আইন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের বিচারব্যবস্থায় উচ্চ আদালতে মামলা জট, দীর্ঘ আপিল প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুতে ধীরগতির কারণে অনেক আলোচিত মামলাও বছরের পর বছর ঝুলে থাকে। ফলে নিম্ন আদালতে রায় হলেও চূড়ান্ত বিচার সম্পন্ন হতে দীর্ঘ সময় লাগে।
রসু খাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে নারী হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে একাধিক মামলা হয়। এর মধ্যে কয়েকটি মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হলেও আপিল প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় এখনো ফাঁসি কার্যকর হয়নি। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
আইনজীবীদের মতে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে আপিল বিভাগে শুনানি, রিভিউ আবেদনসহ কয়েকটি ধাপ সম্পন্ন করতে হয়। এসব প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ সময় লেগে যাওয়ায় অনেক মামলার নিষ্পত্তি বিলম্বিত হয়।
এদিকে রামিসা হত্যা মামলায় দ্রুত তদন্ত ও চার্জশিট দেওয়ার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সরকার বলছে, বিশেষ আদালতের মাধ্যমে দ্রুত বিচার নিশ্চিতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, অতীতের আলোচিত মামলাগুলোর মতো এ ঘটনাতেও বিচার দীর্ঘসূত্রতায় আটকে যাবে কি না।
মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, শুধু দ্রুত গ্রেপ্তার বা চার্জশিট নয়, দ্রুত ও কার্যকর বিচার নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।




























