
আওয়ার টাইমস নিউজ।
অর্থনীতি ডেস্ক: বিশ্ববাজারে সোনার দাম আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন আন্তর্জাতিক অর্থনীতিবিদরা। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩১ সালের মধ্যে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৮ হাজার মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা বর্তমান দামের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
জার্মানির ডয়চে ব্যাংকের বিশ্লেষকদের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি এবং বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাপক হারে সোনা কেনার প্রবণতা এই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ হতে পারে।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল প্রায় ১ হাজার ৫৮৫ ডলার। বর্তমানে সেই দাম বেড়ে ৪ হাজার ৫০০ ডলারের বেশি হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক বছরে সোনার দাম আরও বড় উল্লম্ফন ঘটতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এদিকে জেপি মরগ্যান ও ইউবিএসসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ধারণা, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ প্রতি আউন্স সোনার দাম ৫ হাজার থেকে ৫ হাজার ৫০০ ডলারের মধ্যে পৌঁছাতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চীন, ভারত, রাশিয়া ও তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের স্বর্ণের রিজার্ভ বাড়িয়ে চলেছে। পাশাপাশি বৈশ্বিক অস্থিরতা, ভূরাজনৈতিক সংঘাত এবং তুলনামূলক কম সুদের হার বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ সম্পদ হিসেবে সোনার প্রতি আরও বেশি আগ্রহী করে তুলছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বাংলাদেশের বাজারেও পড়তে পারে। বর্তমানে দেশে ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। বিশ্ববাজারে দাম আরও বাড়লে দেশের বাজারেও সোনার দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র: ডয়চে ব্যাংকের গবেষণা, জেপি মরগ্যান ও ইউবিএসের বাজার বিশ্লেষণ।


























