
আওয়ার টাইমস নিউজ।
অর্থনীতি ডেস্ক: দেশে ইমারত ও আবাসন সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও বিধিমালার শতভাগ প্রয়োগ নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের জানিয়েছেন, এখন থেকে নকশাবহির্ভূত বা নিয়ম ভেঙে কোনো ভবন নির্মাণ করার সুযোগ আর থাকবে না।
রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এবং বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, “অতীতে দেশের আবাসন খাতে বিদ্যমান আইনের যথাযথ বাস্তবায়নের অভাব ছিল। বিশেষ করে ভবনের মূল অনুমোদিত নকশায় সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) এবং সোক ওয়েল রাখার বাধ্যবাধকতা থাকলেও অনেক ডেভেলপার কোম্পানি তা মানেনি। এখন থেকে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে এবং অনুমোদিত নকশার বাইরে এক ইঞ্চিও অবৈধ ভবন গড়ে তুলতে দেওয়া হবে না।
আবাসন খাতকে আরও সুশৃঙ্খল ও জবাবদিহির আওতায় আনতে রাজউকের নকশা অনুমোদন ও ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র দেয়ার পুরো প্রক্রিয়া শতভাগ ডিজিটাল করা হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নীতিমালা সংশোধন করে রাজধানীর বাইরের আবাসন কোম্পানিগুলোকেও একটি সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর অধীনে আনার ঘোষণা দেন তিনি।
সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর ডেভেলপারদের মানবিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “অনেক সাধারণ গ্রাহক ফ্ল্যাটের পুরো টাকা পরিশোধ করেও বছরের পর বছর ধরে তা বুঝে পাচ্ছেন না। আবার কেউ পারিবারিক বা আর্থিক সংকটে পড়ে কিস্তি চালাতে না পারলে জমা টাকা ফেরত পেতে ৩-৪ বছর লেগে যায়। গ্রাহকের অধিকার রক্ষায় এই বিষয়গুলো দ্রুত সমাধান করা দরকার।
অনুষ্ঠানে রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মতিনসহ রিহ্যাব ও ল্যান্ড ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ব্যবসায়ীরা সরকারের নির্দেশ মেনে ড্যাপ ও ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী পরিবেশবান্ধব ভবন তৈরিতে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।




























