
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের চলমান নানা সামরিক ও কৌশলগত সংকটকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ফিলিস্তিন ইস্যুকে আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু থেকে চিরতরে মুছে ফেলতে চাইছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ইসরায়েল সরকার। বুধবার (১২ আগস্ট) তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।
সংবাদ সম্মেলনে তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, “নেতানিয়াহু সরকারের প্রধান কৌশলই হলো পুরো মধ্যপ্রাচ্যে নতুন নতুন উত্তেজনা ও সংঘাতের জন্ম দেওয়া। এর মূল উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনে চলা হত্যাযজ্ঞ ও অবৈধ দখলদারিত্ব থেকে বিশ্ববাসীর নজর সরিয়ে নেওয়া এবং মানবজাতির বৈশ্বিক এজেন্ডা থেকে ফিলিস্তিনের অস্তিত্ব বিলীন করা।” তবে দখলদার ইসরায়েলের এই ষড়যন্ত্র কখনো সফল হবে না উল্লেখ করে এরদোগান জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের ওপর যতই নির্যাতন চালাক না কেন, বিশ্বজুড়ে স্বাধীন ফিলিস্তিনের প্রতি জনসমর্থন প্রতিদিন জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের লড়াইয়ে আঙ্কারা সব সময় ফিলিস্তিনি ভাইদের পাশে থাকবে বলে তিনি আবারও অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
এর আগে ফিলিস্তিনি গোয়েন্দা প্রধান মাজেদ ফারাজ ও কূটনৈতিক উপদেষ্টা মাজদি খালিদিসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে আঙ্কারায় পৌঁছান প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। তুর্কি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, গাজা সংকট এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সমর্থনের বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে মাহমুদ আব্বাস এরদোগানের সঙ্গে এই আলোচনাকে ‘অত্যন্ত গুরুত্ববহ ও ফলপ্রসূ’ বলে অভিহিত করে ফিলিস্তিনিদের প্রতি তুরস্কের অবিচল সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন




























