
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: গাজা উপত্যকার ভবিষ্যৎ প্রশাসনে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কোনো অংশগ্রহণ থাকবে না, এ কথা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠকে তিনি আবারও এই অবস্থান তুলে ধরেন।
নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের বরাতে জানা যায়, গাজায় পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরুর আগে হামাসকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র করতে হবে এবং অঞ্চলটিকে সামরিক কার্যক্রমের বাইরে আনতে হবে। ইসরায়েল ঘোষিত যুদ্ধের সব লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের প্রশাসনিক পরিবর্তন বা রাজনৈতিক ব্যবস্থায় যাওয়ার সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার দাবি থাকলেও বাস্তবে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান থেমে নেই। ফিলিস্তিনি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পরও বিভিন্ন হামলায় কয়েক শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ২৪ লাখ মানুষের জীবন চরম সংকটের মুখে পড়েছে।
আলোচনায় ইরান প্রসঙ্গও উঠে আসে। নেতানিয়াহু বলেন, তেহরানের ওপর ভরসা করা যায় না, কারণ অতীতে তারা একাধিকবার আন্তর্জাতিক চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করেছে। এ বিষয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার প্রস্তুতি চলছে। আলোচনার স্থান ও কাঠামো নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ের কথাবার্তা চলছে বলে জানিয়েছে তেহরান। তুরস্ক ও ওমানসহ কয়েকটি দেশ মধ্যস্থতার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, গাজা ও ইরান, দুটি ইস্যুতেই ইসরায়েলের কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও দীর্ঘস্থায়ী করতে পারে।




























